Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২৯ জুন ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

হামজা চৌধুরীর চোখে ব্রাজিলের শক্তি ও ম্যাচ বিশ্লেষণ

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
জুন ২৯, ২০২৬ ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বিশ্বকাপের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচকে সামনে রেখে একটি বিশেষ টিভি টকশো-তে (‘বিকাশ প্রেজেন্টস দ্য ড্রিম কাপ উইথ হামজা’) নিজের ফুটবলীয় মতামত ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী। বর্তমান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং কার্লো আনচেলত্তির কৌশলগত দক্ষতার ওপর তাঁর অগাধ আস্থা প্রকাশ পেয়েছে এই আলোচনায়।

ভিনিসিয়ুস: রক্ষণভাগের জন্য এক জীবন্ত আতঙ্ক

ব্রাজিলের আক্রমণভাগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হামজা চৌধুরী আলাদাভাবে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যে ৪টি গোল করা এই উইঙ্গারকে আটকানো যেকোনো দলের ডিফেন্ডারদের জন্যই এক বিরাট পরীক্ষা। হামজার মতে:

“ভিনিসিয়ুস যখন মাঠে একবার নিজের চেনা গতি ও ছন্দ পেয়ে যায়, তখন তাকে রুখে দেওয়া যেকোনো রক্ষণভাগের জন্যই এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। সে শুধু অতিমানবীয় গতিসম্পন্নই নয়, বরং গোল করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিখুঁত এবং সতীর্থদের জন্য দারুণ সব সুযোগ তৈরি করতে ওস্তাদ। বিশ্বের যেকোনো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ই তার মুখোমুখি হতে ভয় পাবে।”

আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা ও ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড

ব্রাজিলের ডাগআউটে কার্লো আনচেলত্তির মতো একজন মাস্টারমাইন্ড কোচের উপস্থিতি সেলেসাওদের অনেক দূর নিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস হামজার। তিনি উল্লেখ করেন যে, আনচেলত্তি ক্লাব ফুটবলে সম্ভাব্য সব ট্রফি জিতেছেন এবং তাঁর এই বিপুল অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ব্রাজিলের তরুণ ও প্রতিভাবান স্কোয়াডকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে বড় ভূমিকা রাখছে। প্রথম ম্যাচের ধাক্কা সামলে দল যেভাবে ভারসাম্য ফিরে পেয়েছে, তার পেছনে কোচের রণকৌশলই প্রধান।

‘ডিফেন্স’ই জেতাবে ট্রফি: মার্কিনহোস-গ্যাব্রিয়েল জুটি

নকআউট পর্বের ফুটবলের কঠিন সমীকরণ মনে করিয়ে দিয়ে হামজা চৌধুরী ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন। আক্রমণভাগ লাইমলাইটে থাকলেও তাঁর মতে আসল কাজটা করতে হবে পেছনে থাকা দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারকে। হামজা বলেন:

“ব্রাজিল দলে ভিনিসিয়ুস অবশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নজরকাড়া খেলোয়াড়, তবে আমার দৃষ্টিতে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের মূল চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকবে মার্কিনহোস এবং গ্যাব্রিয়েলের পায়ে। নকআউট ফুটবলের মূল মন্ত্রই হলো রক্ষণে দেয়াল তুলে দেওয়া। যে দল যত কম গোল হজম করবে, টুর্নামেন্টে তাদের টিকে থাকার এবং শিরোপা জেতার সম্ভাবনা ততটাই বেড়ে যাবে। ব্রাজিল যদি এই রক্ষণভাগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে, তবে তাদের সামনে দারুণ সুযোগ রয়েছে।”

ব্রাজিলের এই দলটির সক্ষমতা বিচার করে হামজা চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন যে, সেলেসাওদের অন্তত সেমিফাইনাল পর্যন্ত দেখা পাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত।

সামুরাই ব্লু-দের অদম্য ইচ্ছা বনাম ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্ন

জাপান যদিও ইতিহাসের পাতায় পুরুষ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কখনো জয়ের স্বাদ পায়নি, তবুও তাদের হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের মতো ইউরোপীয় পরাশক্তিদের রুখে দেওয়া এবং তিউনিসিয়াকে গোলবন্যায় ভাসানো জাপান যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে, গত বছরের অক্টোবরে ব্রাজিলকে ৩-২ ব্যবধানে হারানোর আত্মবিশ্বাস এখনো সামুরাই ব্লু-দের মনে টাটকা।

তবে ব্রাজিলও তাদের দীর্ঘদিনের লালিত ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মিশন নিয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে ভিনিসিয়ুস ও কুনিয়ার পা ধরে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী ‘জোগা বোনিতো’ (সুন্দর ফুটবল) এর যে ঝলক দেখা গেছে, তা জাপানের বিপক্ষেও বজায় রাখতে চাইবেন আনচেলত্তি। সব মিলিয়ে, হিউস্টনের মাঠে ফেবারিট হিসেবে নামলেও ব্রাজিলকে তাদের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।