Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২৯ জুন ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

সন্তান অপরাধ করলে শাস্তির মুখে পড়বেন বাবা-মা

প্রতিবেদক
Jetkin Tina
জুন ২৯, ২০২৬ ২:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক বা কিশোর অপরাধে জড়ালে শুধু সেই সন্তানই নয়, বিশেষ পরিস্থিতিতে তার বাবা-মা বা অভিভাবকদেরও কঠোর আইনি জবাবদিহির আওতায় আনা হতে পারে। সন্তানের অপরাধের কারণে অভিভাবকদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো শাস্তি চাপানো না হলেও, নির্দিষ্ট কিছু আইনি শর্ত লঙ্ঘিত হলে তাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট সুযোগ রয়েছে দেশটির আইনে। গতকাল রবিবার (২৮ জুন) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সাধারণ ধারণার বিপরীত আইন

দেশটির আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত অনেক অভিভাবকই মনে করেন যে অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তারা আইনিভাবে কোনোভাবেই দায়ী নন। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল আইনে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং কঠোরভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সুপরিচিত আইনজীবী আসমা সিদ্দিকী এই বিষয়ে ব্যাখ্যা করে বলেন, কোনো অভিভাবক যদি সন্তানের প্রতি চরম অবহেলা প্রদর্শন করেন, তাকে কোনো ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেন, কিংবা সন্তানের কোনো অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উৎসাহ যোগান—তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া, অপরাধে জড়ানো সন্তানের জন্য আদালতের নির্দেশিত কোনো পুনর্বাসনমূলক বা সংশোধনমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অভিভাবকরা ব্যর্থ হলেও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হতে পারে।

আইনজীবীরা আরও জানান, সন্তানের কোনো অপরাধের কারণে যদি অন্য কোনো পক্ষ বা ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তবে সেই ক্ষতির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকদের বাধ্য করা হতে পারে। মূলত কিশোর অপরাধের হার কমিয়ে আনতে এবং পারিবারিক সচেতনতা বাড়াতেই আমিরাত সরকার এই কঠোর আইনি কাঠামো বজায় রেখেছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।