![]()
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৬ নিহত: ‘ইয়েলো লাইন’ পেরিয়ে আক্রমণ অব্যাহত
দক্ষিণ লেবাননের আনসার (Ansar) এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। শনিবার দেশটির সিভিল ডিফেন্স এই প্রাথমিক তথ্য নিশ্চিত করেছে। লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলের ঘোষিত ‘ইয়েলো লাইন’ বা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।
- ✈️ আক্রমণের পরিধি: আনসার, আলি আল-তাহের এবং নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে ভারী হামলা।
- ⚔️ সীমানা লঙ্ঘন: ‘ইয়েলো লাইন’ (লেবাননের ৫-১০ কিমি ভেতরে) অতিক্রম করে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান।
- 🏛️ রাজনৈতিক অচলাবস্থা: ২৬ জুনের যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতাকারী চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের অনড় অবস্থান।
ইয়েলো লাইনের ভেতরে সামরিক অস্থিরতা
লেবাননের মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো কেবল আনসার এলাকাতেই নয়, বরং নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠেও ভারী হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় হেলিকপ্টার ও আর্টিলারি ফায়ারও চালানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিনত জেবাইল, কাউনিন এবং আইতা আল-জাবাল এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ ও মেশিনগান থেকে গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন: আলি আল-তাহের কৌশলগত ঘাঁটি
নাবাতিয়েহ-এর নিকটবর্তী কৌশলগত উচ্চভূমি ‘আলি আল-তাহের’ এখন লেবানন-ইসরায়েল সম্পর্কের অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২৬ জুন স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাঠামোর অধীনে হিজবুল্লাহ যদি এই ঘাঁটি খালি করে লেবানন সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে, তবেই ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে।
তবে হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম এই কাঠামোকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি একে ‘ইসরায়েলি কালিতে লেখা ইসরায়েলি নির্দেশ’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্রীকরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননেই অবস্থান করবে। এদিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসাও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হিজবুল্লাহ অস্ত্র সমর্পণ করলেই কেবল ইসরায়েলি হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ থামবে।
