Touch Bangladesh
ঢাকাশুক্রবার , ২৮ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

নেপালে প্রলয়ঙ্করী হিমবাহ ধস ও বন্যা : বাড়ছে নিহতের সংখ্যা

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ২৮, ২০২৬ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক | বিশেষ দুর্যোগ আপডেট

নেপালে প্রলয়ঙ্করী হিমবাহ ধস ও বন্যা: নিহতের সংখ্যা পৌনে ৫০০ ছুঁইছুঁই, নিখোঁজ ১৪ শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | TouchBangladesh
২৮ আগস্ট, ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ হিমবাহ ধস ও প্রলয়ঙ্করী আকস্মিক বন্যায় (Flash Flood) পরিস্থিতি চরম নাজুক রূপ ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কেবল নেপালেই ৪৬৯ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে আরও ৩ জনের প্রাণহানিসহ মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ৪৭৫ ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকায় নিখোঁজের সংখ্যা ১,২০০ থেকে ১,৪০০ ছাড়িয়ে গেছে, যার মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন।

সংকটের মূল চিত্র একনজরে

  • 🏔️ দুর্যোগের কারণ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সুবিশাল হিমবাহ ধসে নদী অববাহিকায় কাদা-পাথরের ধ্বংসাত্মক ঢল।
  • ⚠️ নতুন বিপর্যয়: ভোটেকোশি নদীর উজানে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হওয়ায় যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে ফের প্লাবনের চরম ঝুঁকি।
  • 🚁 উদ্ধার তৎপরতা: সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবং বৈরী আবহাওয়ায় কেবল হেলিকপ্টারের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে।
  • 🇺🇳 আন্তর্জাতিক সাহায্য: ইউনিসেফ ও জাতিসংঘের জরুরি তহবিল গঠন; হাজার হাজার শিশু ও দুর্গত মানুষের জরুরি ত্রাণের তীব্র আকুতি।

প্রলয়ঙ্করী হিমবাহ ধস ও অভূতপূর্ব পরিকাঠামোগত ক্ষতি

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে সুবিশাল একটি হিমবাহ হঠাৎ ধসে পড়ে। ফলে নিম্নাঞ্চলের ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদীতে মুহূর্তের মধ্যে মারাত্মক পানির তোড় ও পাহাড়ি কাদার তোড় নেমে আসে। এ আকস্মিক ঢলে পাহাড়ের পাদদেশের বিস্তীর্ণ জনপদ, অন্তত ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ কংক্রিটের সেতু, দীর্ঘ সড়কপথ ও বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। বহু লোকালয় কাদা ও মেগা-পাথরের নিচে তলিয়ে গেছে।

সর্বশেষ ক্ষয়ক্ষতির সামগ্রিক পরিসংখ্যান

বিবরণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
মোট নিশ্চিত মৃত্যু ৪৭৫ জনের কাছাকাছি (নেপালে ৪৬৯+, তিব্বতে ৩+)
আশঙ্কাজনক নিখোঁজ ১,২০০ থেকে ১,৪০০+ জন (যার বড় অংশ বিদেশি পর্যটক)
ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো ১৯টি কংক্রিটের সেতু, একাধিক জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মাইলের পর মাইল সড়ক
ক্ষতিগ্রস্ত নদী অববাহিকা ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদী অঞ্চল

উদ্ধার কাজে প্রতিবন্ধকতা ও তীব্র মানবিক সংকট

পাহাড়ি রাস্তা ধসে যাওয়া, বিদ্যুৎ ও ব্ল্যাকআউট পরিস্থিতি এবং প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়ার কারণে নেপাল সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দলের জন্য দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আকাশপথে সেনার হেলিকপ্টার ব্যবহার করে জরুরি উচ্ছেদ ও উদ্ধার চালানো হচ্ছে।

এদিকে ইউনিসেফ ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিসহ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তীব্র উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। দুর্গম এলাকায় অবস্থানরত হাজার হাজার পরিবার ও শিশুরা বর্তমানে খাদ্য, পানীয় ও চিকিৎসার অভাবে রয়েছে। জাতিসংঘসহ বিশ্ব সংস্থাগুলো জরুরি ত্রাণ সহায়তার অর্থ ছাড় দিতে কাজ শুরু করেছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।