Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

অন্ধ্র প্রদেশে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাত, নিহত ৫

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ১:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে উপকূলে আছড়ে পড়ার পর ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাজ্যটিতে পৃথক ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কেউ গাছ ভেঙে পড়ায় প্রাণ হারিয়েছেন।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানিয়েছে, উপকূলে আঘাত হানার সময় অর্ণব ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ছিল। এটি সংস্থাটির নির্ধারিত শ্রেণিবিন্যাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ শক্তিমাত্রা। তবে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঝড়টি দুর্বল হয়ে ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।

সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রকাশিত আবহাওয়া বিভাগের বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি তখন অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের ওপর অবস্থান করছিল। এর কেন্দ্রীয় অংশ পুরোপুরি স্থলভাগে প্রবেশ করায় স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে স্থলভাগে প্রবেশ করে। এ সময় দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছিল।

বুলেটিন অনুযায়ী, ওই সময় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র নরসাপুর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়ানাম থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, কাকিনাড়া থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মাচিলিপত্তনম থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে অবস্থান করছিল।

প্রবল বৃষ্টি, উপড়ে পড়েছে গাছ

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ঝড়ের আশঙ্কায় আগেই দুই রাজ্য থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

অন্ধ্র প্রদেশে বুধবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৩১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বিশাখাপত্তনমে। এ ছাড়া বিজয়নগরমে ৩০১ মিলিমিটার, আনাকাপল্লেতে ২৭৫ মিলিমিটার, শ্রীকাকুলামে ২৫৭ মিলিমিটার এবং কৃষ্ণা জেলায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

ওডিশার কোরাপুটে ১৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া গঞ্জামে ১৬১ মিলিমিটার এবং গজপতিতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং গাছপালা উপড়ে পড়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাতিল করা হয়েছে কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও।

এ ছাড়া বুধবার বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজের ফ্লাইট বাতিল করেছে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলো।

আরও বৃষ্টির আশঙ্কা

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার ও বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়া, সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়া এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।