Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

কক্সবাজারে আগুনে নিহত একই পরিবারের ৪ জনের দাফন

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ২:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ পৌঁছেছে যশোরের মনিরামপুরে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে তাঁদের মরদেহ মোহনপুর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো এলাকায়। স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রতিবেশী ও স্বজনদের অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

নিহত চারজন হলেন নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজী (৩৬) এবং তাঁদের দুই শিশুসন্তান রোজাইনা ইনায়া (৭) ও মুনাইনা ইহানা (৩)।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন রিসোর্টের একটি ওয়াশরুম থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো নিজেদের স্বজনদের বলে ধারণা করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তবে আগুনে মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

১০ দিন পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে স্বজনদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ ১০ দিন পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাফন সম্পন্ন করার জন্য নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

একই পরিবারের ছয়জনের মরদেহ তাঁদের স্বজন আমিনুর রহমানের কাছে এবং অপর চারজনের মরদেহ নিহত নাহিদুর রহমানের বড় ভাই জাহিদুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জাহিদুর রহমান জানান, মরদেহ হস্তান্তরের সময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিআইডি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মায়ের কবরের পাশে চারটি কবর

পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তাঁদের দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। নিহত নাহিদুর রহমানের মায়ের কবরের পাশে পাশাপাশি চারটি কবর খুঁড়ে রাখা হয়েছিল।

নাহিদের বাবা মতিয়ার রহমান জানান, ক্যানসারে আক্রান্ত তাঁর স্ত্রী ২০১৬ সালে ছেলের কোলে মাথা রেখে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। এবার সেই মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নাহিদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান।

বুধবার বিকেল ৩টায় যশোরের মোহনপুর গ্রামের বাঁধাঘাট ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাঁদের চারজনকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

একই পরিবারের চার সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকাহত স্বজন ও এলাকাবাসী। যে বাড়িতে একসঙ্গে চারজনের ফেরার অপেক্ষা ছিল, সেখানে এখন শুধুই শোক আর স্বজন হারানোর বেদনা।

 

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।