Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে নতুন তদন্ত, ভাইকে বিয়ের অভিযোগ

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ৩:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে নিজের ভাইকে বিয়ে করে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০১৬ সালে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তে এ বিষয়ে কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার দাবি উঠলেও আইনি সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলাটি আর এগোয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে বিয়ে করেন ইলহান ওমর। তদন্তকারীদের সন্দেহ ছিল, এলমি তার ভাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই বিয়ে করা হয়েছিল। সে সময় এলমি ছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিক।

২০১৬ সালের গ্রীষ্মে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে এফবিআই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, ওমর ও এলমির মধ্যে ভাই-বোনের সম্পর্ক থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়—এমন তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছিল। তবে কী ধরনের প্রমাণের ভিত্তিতে এমন সন্দেহ তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিয়ের পর এলমি শর্তসাপেক্ষে দুই বছরের গ্রিন কার্ড পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট দুই সাবেক কর্মকর্তা। পরবর্তী সময়ে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদনের জন্য অভিবাসন কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত নথিপত্র চাইলে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যান এবং নিজের আবেদন প্রত্যাহার করেন।

তবে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করার জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছরের আইনি সময়সীমা ২০১৪ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় বলে মনে করেন প্রসিকিউটররা। ফলে তদন্তটি আর ফৌজদারি মামলার পর্যায়ে গড়ায়নি। ২০২১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় মিনেসোটার মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগ অস্বীকার ইলহান ওমরের

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন ইলহান ওমর। তার ভাষায়, ভাইকে বিয়ে করে গ্রিন কার্ড পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ একটি বর্ণবাদী ষড়যন্ত্র তত্ত্ব।

গত সপ্তাহে এমএস নাউয়ের উপস্থাপক ক্রিস হেইস সরাসরি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ওমর বলেন, ‘আমার জানা মতে, এমনটা নয়।’

এদিকে ইলহান ওমরের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতিহাস নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ২০০২ সালে আহমেদ হিরসির সঙ্গে ইসলামি রীতিতে বিয়ে হয় তার। ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন তিনি। ২০১৭ সালে ওই বিয়ের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। এর পরের বছর হিরসিকে আইনগতভাবে বিয়ে করেন ওমর। ২০১৯ সালে তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে। ২০২০ সালে রাজনৈতিক পরামর্শক টিম মাইনেটকে বিয়ে করেন তিনি।

নাগরিকত্ব নিয়েও তদন্তে ট্রাম্প প্রশাসন

ইলহান ওমরের অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্র নিয়েও সম্প্রতি নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে মুঠোফোন, নোটবুক, ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও পাসপোর্ট জব্দ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ২০০০ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় ওমর কোনো ভুল নাম বা জন্মতারিখ ব্যবহার করেছিলেন কি না। তার বাবার আইনগত অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

কিছু নথিতে ইলহান ওমরের জন্মতারিখ ১৯৮১ সালের ৪ অক্টোবর উল্লেখ করা হয়েছে। আবার অন্য কিছু নথিতে একই বছরের বদলে ১৯৮২ সালের ৪ অক্টোবর তার জন্মতারিখ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে তার মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল এবং দেশটি থেকে বহিষ্কারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।