![]()
ভারতের সামরিক শক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতা বোঝাতে বলিউডের স্পাই থ্রিলার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এর উদাহরণ দিয়েছেন অরুণাচল প্রদেশের মন্ত্রী বালো রাজা। চীনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) প্রধানের কথিত মন্তব্যের সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি এ সিনেমার প্রসঙ্গ টানেন।
গত ২৮ অক্টোবর অরুণাচল প্রদেশের রাজধানী ইটানগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নগরবিষয়ক, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক মন্ত্রী বালো রাজা।
তিনি বলেন, ভারতের শক্তি নিয়ে কারও মধ্যে দুর্বলতার ধারণা তৈরি হওয়া উচিত নয়। একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কেন এমন মন্তব্য করবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বালো রাজা বলেন, ‘আপনি যখন মহাপরিচালক, তখন এ ধরনের মন্তব্য করার প্রয়োজন কী? নিজেকে দুর্বল মনে করছেন কেন? ভারত অনেক শক্তিশালী। আপনারা নিশ্চয়ই “ধুরন্ধর” সিনেমাটি দেখেছেন। সিনেমাটি দেখলেই বুঝতে পারবেন, ভারতের গোয়েন্দা সক্ষমতা কতটা বেড়েছে।’
চীনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আইটিবিপির মহাপরিচালক শত্রুজিৎ সিং কাপুরের কথিত বক্তব্য ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে বালো রাজার এই মন্তব্য সামনে এল।
এর আগে গত ২২ অক্টোবর রাজস্থানের আলওয়ারে এক অনুষ্ঠানে আইটিবিপি সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন শত্রুজিৎ সিং কাপুর। সেখানে সীমান্তে মুখোমুখি অবস্থার মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর নবগঠিত ‘শৌর্য’ কমান্ডো দলের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
পাশাপাশি পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাহিনীর অস্ত্র ও সরঞ্জাম আধুনিকায়ন এবং সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন আইটিবিপি প্রধান। বিশেষ করে ড্রোননির্ভর যুদ্ধসহ নতুন ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
কাপুরের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সীমান্ত পরিস্থিতি এবং চীনের সঙ্গে কথিত মুখোমুখি অবস্থার প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন বিরোধী দলের নেতারা।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সামরিক শক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বালো রাজার ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার উদাহরণ দেওয়া নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: দ্য প্রিন্ট
