Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মিরপুরে নাশকতার অভিযোগে আ.লীগের ১১ নেতাকর্মী আটক

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
নভেম্বর ১, ২০২৬ ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১ নভেম্বর) ডিবির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, কয়েক দিন ধরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। তবে শনিবার থেকে আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। রোববারও পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, শ্রমিকদের আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু নেতাকর্মী নাশকতার চেষ্টা করছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অবস্থান করা ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।

রাকিব খাঁন আরও জানান, মিরপুর ১০ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক ব্যক্তিদের পাওয়া গেছে। তারা বরিশাল, পটুয়াখালী, কক্সবাজার ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন জেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী।

ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, মিরপুরের পলাতক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগ্নে আলিফ মোল্লা এসব কর্মকাণ্ডের সমন্বয় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনার কাজেও তিনি যুক্ত বলে দাবি পুলিশের। সেখানে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীর উপস্থিতির তথ্য পেয়েছে ডিবি। তাঁদের শনাক্ত ও আটকে অভিযান চলছে।

এদিকে রোববার বেলা ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বর এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর আগে সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরে দুপুরে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে সরকারবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চক্র যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করছে বলে তাঁদের ধারণা।

তিনি বলেন, জনভোগান্তি কমাতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সড়ক পরিষ্কার করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কারও ওপর লাঠিপেটা করা হয়নি এবং ওই সময় কাউকে আটক করা হয়নি। পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি বলেও জানান তিনি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।