Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ১৩ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

১০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!

প্রতিবেদক
Louis Daru
জুলাই ১৩, ২০২৬ ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

মার্কিন পপ সুপারস্টার টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির রাজকীয় বিয়ের সাক্ষী হয়েছে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন। আর এই রাজকীয় আয়োজনকে ঘিরে জমা হওয়া স্তূপীকৃত আবর্জনাকেই আয়ের উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছেন নিউইয়র্কের এক শিল্পী। সাধারণ মানুষের চোখে যা ময়লা, তা-ই এখন বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

নিচে এই অদ্ভুত ও চমকপ্রদ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

ময়লা থেকে মিলিয়ন ডলার আইডিয়া

টেইলর ও কেলসি যখন গত শুক্রবার বিয়ের মঞ্চে ছিলেন, কুইন্সের শিল্পী জাস্টিন গিগনাক তখন হন্যে হয়ে ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের চারপাশে আবর্জনা খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। তবে তিনি কোনো সাধারণ সংগ্রাহক নন; তিনি যা করেছেন তাকে আক্ষরিক অর্থেই ‘নিউইয়র্ক ভাইবস’ বা দারুণ ব্যবসায়িক বুদ্ধি বলা যায়।

বিচিত্র সংগ্রহ: গিগনাক জানান, তিনি ভেন্যুর চারপাশ থেকে একটি ‘রিং পপ’ (ক্যান্ডি), একটি ফেলে রাখা ‘এয়ারপড’ এবং এমনকি একটি ‘ওভুলেশন টেস্ট কিট’ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছেন। সংগৃহীত এই বিচিত্র সব আবর্জনাকে তিনি ছোট ও বড় আকারের স্বচ্ছ প্লাস্টিকের কিউবে (বাক্স) বন্দি করেছেন।
আকাশছোঁয়া দাম: তিনি ৫০টি ‘পকেট গার্বেজ’ কিউব বানিয়েছেন যেগুলোর প্রতিটির দাম ২৫ ডলার। আর সাধারণ আবর্জনার বড় কিউবগুলোর দাম ধরা হয়েছে ১০০ ডলার (প্রায় ১২ হাজার টাকা) করে।

কোনো গ্যারান্টি নেই, তবু ক্রেতাদের ভিড়

গিগনাক স্বীকার করেছেন, তিনি বিক্রি করা এই আবর্জনাগুলো সরাসরি বিয়ের কনে বা বর কিংবা আমন্ত্রিত অতিথিদের ফেলা—এমন কোনো গ্যারান্টি তিনি দিতে পারবেন না। তবে স্থান এবং তারিখের বিশেষত্বের কারণে এটি একটি দারুণ সংগ্রহের বিষয় হতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

শিল্পীর ভাবনা: আবর্জনাকে কিউবে বন্দি করার এই কাজ জাস্টিন গিগনাক গত ২৫ বছর ধরে করছেন। তিনি মনে করেন, মানুষ যা অবজ্ঞা করে ফেলে দেয়, তার মধ্যেও সৌন্দর্য ও আনন্দ খুঁজে পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, “আমি পরিত্যক্ত জিনিসের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পেতে পছন্দ করি।”
ভক্তদের উন্মাদনা: নিউইয়র্কবাসী গিগনাকের এই বুদ্ধিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। মিডটাউনের বাসিন্দা নাটালিয়া ক্রুজ বলেন, “টেইলর সুইফটের ভক্ত বা ‘সুইফটিদের’ কাছে টেইলরের সাথে সম্পৃক্ত যেকোনো কিছুরই বিশাল মূল্য। নিছক শখের বশেই মানুষ এই ময়লাভর্তি বাক্সগুলো কিনবে।” অনেক পর্যটক একে সুযোগ কাজে লাগানোর চমৎকার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।

নোট: গিগনাক তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টম কিউবও তৈরি করে দেন। এর আগে তিনি বিভিন্ন বিয়ের শপথপত্র, আংটির বাক্স কিংবা টেবিল নম্বর দিয়েও কিউব বানিয়েছেন। রসিকতা করে তিনি বলেন, “টেইলর ও ট্রাভিস যদি চান, তবে আমি তাদের জন্যও একটি বিশেষ কিউব বানিয়ে দিতে প্রস্তুত আছি।”

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।