Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৮ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

জাদুঘর খোলার সময় ও অনলাইন টিকিট জটিলতায় ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ৮, ২০২৬ ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নবউদ্বোধিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ পরিদর্শনে প্রথম ছুটির দিনে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে উদ্বোধনের পর প্রথম শুক্রবারে (৭ আগস্ট) পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের পোহাতে হয়েছে নানা ভোগান্তি। জাদুঘর খোলার সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি, অনলাইনে টিকিট কাটতে গিয়ে জটিলতা এবং টিকিটের অর্থ ফেরত (রিফান্ড) পাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপস্থিত দর্শনার্থীরা।

সময়সূচি বিভ্রান্তি ও দীর্ঘ অনুভূতির অপেক্ষা

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও ঢাকার আশপাশের এলাকা সাভার, নারায়ণগঞ্জ এমনকি কুমিল্লা থেকে বহু দর্শনার্থী জাদুঘরের সামনে ভিড় জমান। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী সকাল ১১টায় জাদুঘর খোলার কথা থাকলেও উপস্থিত দর্শনার্থীরা পরে জানতে পারেন শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে।
তপ্ত রোদে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার ফলে ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীদের একপর্যায়ে মূল ফটকের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কুমিল্লা থেকে আসা এক দর্শনার্থী জানান, সকাল ৯টা থেকে তিনি অপেক্ষা করলেও বিকেল ৩টার আগে প্রবেশের সুযোগ পাননি। সাভার থেকে আসা অন্য এক দর্শনার্থী জানান, ছুটির দিনে বাচ্চাদের জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মারক দেখাতেই তিনি এসেছিলেন, তবে আগাম নোটিশ সঠিকভাবে না থাকায় তাঁদের দীর্ঘ সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

অনলাইন টিকিটিং ও রিফান্ড সংক্রান্ত অভিযোগ

অনলাইনে প্রবেশ টিকিট কেনা নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। কয়েকজন দর্শনার্থী জানান, তাড়াহুড়ো করে টিকিট কাটতে গিয়ে সিস্টেমের জটিলতায় পরবর্তী বা ভুল তারিখের টিকিট বুক হয়ে গেছে। তারিখ নির্বাচনের বা রিফান্ড পাওয়ার সুনির্দিষ্ট অপশন না থাকায় অনেকেই আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার কথা জানান।
দর্শনার্থীরা জোর দাবি জানান, টিকিট বাতিল বা রিফান্ডের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা উচিত, যাতে ফাঁকা হওয়া স্লটগুলো নতুন দর্শনার্থীরা ব্যবহার করতে পারেন।

কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ও উদ্যোগ

পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিয়ে দায়িত্বরত কর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতেই নোটিশ টানিয়ে ছুটির দিনের (শুক্রবার) নতুন সময়সূচির কথা জানানো হয়েছিল।
বিদ্যমান পরিবেশ ও ভিড় সামলানো প্রসঙ্গে জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ইবনে ওয়াহাব জানান, ভবনটির সার্বিক ধারণক্ষমতা সীমিত হওয়ায় স্লট পদ্ধতিতে প্রবেশ করানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন উদ্বোধনী সপ্তাহ চলছে এবং মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি, তাই পরীক্ষামূলকভাবে কিছু বাড়তি দর্শনার্থীকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ব্যাগেজ কাউন্টার পরিচালনা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রাথমিক শিখন শেষে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই প্রবেশ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খল ও সহজ হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।