Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ১১ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

কুষ্টিয়ায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের চেষ্টা: ভিডিও ভাইরাল, তদন্তে পুলিশ

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ১১, ২০২৬ ২:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 
কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
১ মিনিট ২ সেকেন্ডের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, রাতের আঁধারে এক ব্যক্তি একটি বোতল থেকে স্মৃতিস্তম্ভের ওপর তরল দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে সটকে পড়েন। এ সময় নেপথ্যে এক পুরুষ কণ্ঠে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘হানিফ সাহেবের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ সহ আওয়ামী লীগ ও রাজনৈতিক দলটির সভানেত্রীর পক্ষে নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কুষ্টিয়া ইনসাইডারস’ নামের একটি আইডি থেকে প্রথম ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের আইডিতে শেয়ার হতে দেখা যায়।
কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামের সামনে এই জুলাই স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা পুলিশের নিয়মিত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এমন ঘটনা ঘটায় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, “স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের কালো দাগ পাওয়া গেছে। এর নিরাপত্তায় একজন এএসআইয়ের নেতৃত্বে প্রতিদিন তিনজন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকেন। দায়িত্বে থাকা সদস্যদের কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার এবং মডেল থানার ওসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জায়গাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাকির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার পরও কীভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।