![]()
নিউজ প্রোভাইডার
রাঙামাটির কাপ্তাই-আসামবস্তি সড়কের আগরবাগান এলাকায় বুনো হাতির এক বিশাল দল অবস্থান নেওয়ায় দীর্ঘ তিন ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। বন বিভাগ ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ফাঁকা গুলি ও আতশবাজি ফুটিয়ে অবশেষে রাত ৮টার দিকে হাতিগুলোকে বনের গভীরে ফেরানো সম্ভব হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে বনের ভেতর থেকে হঠাৎ কয়েকটি হাতি সড়কে উঠে এলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ বন থেকে হাতিগুলো রাঙামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে চলে আসে এবং অবস্থান নেয়। ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ হাতির দল দেখে পথচারী ও যানবাহনের চালক-যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। দূর-দূরান্তের যানবাহনগুলো নিরাপত্তার স্বার্থে থমকে দাঁড়ায়।
খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রহমানের নেতৃত্বে বনকর্মীদের একটি দল এবং এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যরা দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
প্রথমে ইআরটি সদস্য ও বনকর্মীরা উচ্চ শব্দে আতশবাজি ফুটিয়ে হাতির দলটিকে সরানোর চেষ্টা করেন। তবে হাতিগুলো সড়ক ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করায় পরে মাইকিং, গাড়ির তীব্র হর্ন বাজানো এবং ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।
টানা ৩ ঘণ্টার যৌথ চেষ্টার পর রাত ৮টার দিকে হাতির পালটি ধীরে ধীরে লোকালয় ও সড়ক ছেড়ে গহিন বনের দিকে পিছিয়ে যায়। এরপরই দীর্ঘ যানজট কেটে সড়কে যানবাহন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, পাহাড় ও বনের স্বাভাবিক আবাসে খাদ্য সংকটের কারণেই মাঝে মাঝে বুনো হাতিরা লোকালয় বা সংযোগ সড়কে চলে আসে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
