![]()
মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকির মধ্যেও ডিসেম্বরেই ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, চাইলেন নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ বিচার
আ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডাদেশ বা গুরুতর শাস্তির মুখোমুখি থাকা সত্ত্বেও আগামী ডিসেম্বরেই ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের গণমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮ (CNN-News18)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি নিজে আদালতে হাজির হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের ইচ্ছে ব্যক্ত করেছেন। তবে এ জন্য তিনি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং নিরপেক্ষ বিচারের নিশ্চয়তা দাবি করেছেন।
- 🗓️ ফেরার সময়সীমা: চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা।
- ⚖️ বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত: আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের পক্ষে লড়াইয়ের ইচ্ছাপ্রকাশ।
- 🛡️ চার শর্ত: ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, আইনজীবী নিয়োগের অধিকার, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা।
- 🚫 ব্যাকচ্যানেল আলোচনা বাতিল: বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে কোনো গোপন বা পেছন দরজার আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ।
আদালতে লড়তে চান শেখ হাসিনা, দাবি নিরপেক্ষ পরিবেশের
সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে চান না বরং সরাসরি আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান। তবে এ জন্য বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি। উপযুক্ত নিরাপত্তা ও আইনজীবীর প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকলে তিনি দেশে ফিরে বিচারে অংশ নেবেন বলে জানান।
একনজরে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ
| বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
|---|---|
| সাক্ষাৎকারের মাধ্যম | সিএনএন-নিউজ১৮ (CNN-News18) |
| প্রস্তাবিত ফেরার সময় | ডিসেম্বর ২০২৬ |
| মূল দাবিগুলো | ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, আইনি প্রতিনিধিত্ব, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষ বিচার। |
| রাজনৈতিক অবস্থান | বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ব্যাকচ্যানেল আলোচনার সুযোগ পুরোপুরি নাকচ। |
বিএনপি সরকারের সঙ্গে সমঝোতার আলোচনা নাকচ
বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের অপ্রকাশ্য বা ‘ব্যাকচ্যানেল’ সমঝোতা বৈঠকের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। কোনো গোপন আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং স্বচ্ছ ও স্বাধীন বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার নীতিতে তিনি অনড় বলে জানান।
