![]()
বা ংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশভ্রমণের ক্ষেত্রে বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সীমা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পূর্বে নির্ধারিত ১২ হাজার মার্কিন ডলারের সীমা বাড়িয়ে এখন ১৮ হাজার মার্কিন ডলার করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সকল অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে।
- 💵 নতুন কোটা: একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক প্রতি পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ১৮,০০০ ডলার পর্যন্ত সুবিধা পাবেন।
- 💳 নগদ ও কার্ড সীমা: প্রতিবার ভ্রমণের সময় সর্বোচ্চ ৫,০০০০০ ডলার পর্যন্ত নগদে নেওয়া যাবে এবং বাকি অর্থ কার্ডে খরচ করতে হবে।
- 👶 অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুবিধা: ১২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমার ৫০% বা সর্বোচ্চ ৯,০০০ ডলার প্রযোজ্য হবে।
- 📅 প্রযোজ্য সময়কাল: নতুন এই সীমা প্রতিবছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর (পঞ্জিকাবর্ষ) পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
আন্তর্জাতিক ভ্রমণের পরিবর্তিত চাহিদা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে জীবনযাত্রা ও ভ্রমণের খরচ বাড়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রকৃত ভ্রমণসংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের পরিবর্তিত প্রয়োজন ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই কোটা পুনর্নির্ধারণের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে চিকিৎসা, উচ্চশিক্ষা, পর্যটন ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ সহ বিভিন্ন কাজে বিদেশগামীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি মেটানো সহজ হবে।
কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্য
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করেছে যে, ভ্রমণের সময় একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ডলার নগদে দেওয়া যাবে। ১৮ হাজার ডলারের অবশিষ্ট অংশ আন্তর্জাতিক ক্রেডিট, ডেবিট বা প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে খরচ করতে হবে। এটি আন্তর্জাতিক ট্রানজেকশনে স্বচ্ছতা আনবে এবং অবৈধ হুন্ডি প্রতিরোধে সহায়তা করবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ভ্রমণ কোটার পরিবর্তন ও নতুন শর্তাবলী
| খাত/বিষয় | পূর্বের নিয়ম ও নতুন নিয়ম |
|---|---|
| বার্ষিক ভ্রমণ কোটা (প্রাপ্তবয়স্ক) | পূর্বে ১২,০০০ ডলার ➔ বর্তমানে ১৮,০০০ ডলার |
| নগদ উত্তোলনের সীমা (প্রতি সফর) | সর্বোচ্চ ৫,০০০০০ মার্কিন ডলার (অবশিষ্ট অংশ কার্ডে প্রদেয়) |
| ১২ বছরের কম বয়সীদের কোটা | প্রাপ্তবয়স্কদের ৫০% (সর্বোচ্চ ৯,০০০ মার্কিন ডলার) |
| গণনার সময়সীমা | প্রতি পঞ্জিকাবর্ষ (১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর) |
