![]()
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ মাছের ওপর আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ভারতের মাছ আমদানিকারকরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) কলকাতার ‘ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’ বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠায়ে পুনরায় নিয়মিত ইলিশ রপ্তানির সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানায়।
- 📩 আবেদন পেশ: এএনআই-এর বরাতে জানা গেছে, ১১ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়।
- 🚛 আমদানির অতীত ইতিহাস: ১৯৯৬ সাল থেকে বেনাপোল ও আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে নিয়মিত ইলিশ ভারতে পৌঁছাত।
- ⌛ ১ মাসের সীমিত সময়ের সমস্যা: ২০১৯ থেকে পূজার সময় মাত্র ১ মাসের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হলেও তা ব্যবসায়িকভাবে অপর্যাপ্ত।
- 🍲 রন্ধনশৈলী ও ঐতিহ্য: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় পদ্মার ইলিশ অত্যন্ত জনপ্রিয়, যা দুই বাংলার সংস্কৃতির অভিন্ন অংশ।
২০১২ সালের নিষেধাজ্ঞা ও ১ মাসের বিশেষ অনুমতি
আমদানিকারকদের সংগঠন চিঠিতে উল্লেখ করে, ২০১২ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সরকার ইলিশ রপ্তানিতে আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর থেকে তারা টানা এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতি বছর মাত্র ১ মাসের সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে আমদানিকারকদের মতে, এত অল্প সময়ে লজিস্টিকস সামলানো এবং বাজারে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না।
সংস্কৃতি ও অভিন্ন রন্ধন ঐতিহ্য
ভারতীয় আমদানিকারকরা দুই বাংলার অভিন্ন সংস্কৃতি, ভাষা ও খাদ্যপ্রীতির কথা তুলে ধরে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরায় পদ্মার ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে। স্থায়ীভাবে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিকরা বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে বলে চিঠিতে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ থেকে ভারতের ইলিশ আমদানির তথ্যসংক্ষেপ
| সূচক / বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| আবেদনকারী সংস্থা | ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, কলকাতা (ভারত) |
| মূল দাবি | দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশের ওপর থেকে স্থায়ী রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার |
| নিষেধাজ্ঞার সময়কাল | ২০১২ সালের জুলাই থেকে কার্যকর |
| প্রধান রুট ও রিসিভিং এলাকা | বেনাপোল ও আখাউড়া শুল্ক স্টেশন; (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরা) |
