Touch Bangladesh
ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

বিভাগীয় পর্যায়ে ডিএনএ ল্যাব করার পরিকল্পনা, ইউএনএফপিএর সহায়তা চাইলেন মন্ত্রী

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নারী ও শিশুদের আইনি সুরক্ষা আরও সুদৃঢ় করতে ডিএনএ ল্যাবের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) কারিগরি ও জ্ঞানগত সহায়তা চেয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। ইউএনএফপিএর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্যাথরিন ব্রিন কামকং এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিচালিত অত্যাধুনিক ডিএনএ ল্যাবরেটরির কার্যক্রম সম্পর্কে ইউএনএফপিএর প্রতিনিধিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবং নারী ও শিশুদের আইনি সুরক্ষা জোরদার করতে ল্যাবের কার্যক্রম বিভাগীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। মন্ত্রীর অনুরোধে ইউএনএফপিএর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি, নারী শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা, পারিবারিক সহিংসতা, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি (এমসিবিপি), ওসিসি, শিশু অধিকার সুরক্ষা, শিশুশ্রম নিরসন, অনলাইন প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ, সাইবার বুলিং ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী ইউএনএফপিএকে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংস্থাটির উন্নয়ন সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী আরও জানান, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন ও সচেতনতা দৃশ্যমান হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ক্যাথরিন ব্রিন কামকং মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী অধিকার সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ ও অঙ্গীকারের তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন। তৃণমূল পর্যায়ে বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ দূর করতে স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।