![]()
লাল কার্ডের নাটকীয়তার পর গঞ্জালো-ব্রুনোর গোলে চিলিকে হারাল পর্তুগাল
| স্পোর্টস ডেস্ক, টাচবাংলাদেশ
বিশ্বকাপের আগে নিজেদের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে ইউরোপিয়ান পরাশক্তি পর্তুগাল। গত রাতে (৬ জুন) লিসবনের এস্তাদিও ন্যাসিওনাল দো জামোরে অনুষ্ঠিত এক রোমাঞ্চকর আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ল্যাটিন আমেরিকার লড়াকু দল চিলিকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল। জোড়া লাল কার্ডের নাটকীয়তা এবং বদলি খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে শেষ হাসি হেসেছে পর্তুগিজরাই।
প্রথমার্ধের উত্তেজনা ও লাল কার্ডের খাঁড়া:
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শুরুর একাদশেই মাঠে নেমেছিলেন, তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মাঠে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়। পর্তুগালের রাফায়েল লিয়াও এবং চিলির ইভান রোমানের মধ্যে তুমুল শারীরিক সংঘাতের সৃষ্টি হয়, যার ফলে রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে দুজনকেই মাঠ থেকে বের করে দেন।
রোনালদোর বদলি হিসেবে নেমেই গঞ্জালোর বাজিমাত:
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কোচ রবার্তো মার্টিনেজ রোনালদোকে তুলে নিয়ে মাঠে নামান গঞ্জালো গুয়েদেসকে। আর এই সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৫৮তম মিনিটে রুবেন নেভেসের চমৎকার এক অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে পর্তুগালকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন গুয়েদেস।
ব্রুনোর রেকর্ড ছোঁয়া গোল এবং চিলির সান্ত্বনা:
পর্তুগালের আক্রমণভাগের দাপট চলতে থাকে এবং ম্যাচের ৭৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এই গোলের মাধ্যমে তিনি পর্তুগালের জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের ২৯তম গোলটি পূর্ণ করেন, যা তাকে পর্তুগিজ ফুটবল ইতিহাসে নুনো গোমেজের সাথে যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে (৯২ মিনিটে) চিলির লুকাস সেপেদা একটি দর্শনীয় গোল করে ব্যবধান কমালেও, তা কেবল সান্ত্বনা হয়েই থাকে।
মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস:
এই জয়ের মাধ্যমে চিলির বিপক্ষে ঐতিহাসিক মুখোমুখি পরিসংখ্যানে পর্তুগাল আরও এগিয়ে গেল। এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই দুই দল ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে পর্তুগাল জিতেছে ৩ বার, চিলি ১ বার (২০১৭ কনফেডারেশন্স কাপে পেনাল্টিতে) এবং ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
