Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

বায়ুদূষণে কমছে আয়ু, বছরে মৃত্যু ১ লাখের বেশি

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আইন বাস্তবায়ন, জবাবদিহি ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতের দাবি; যুব ও নাগরিক সমাজের ১৫ দফা

বায়ুদূষণের ভয়াবহতা দিন দিন বাড়লেও বিদ্যমান আইন ও নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন হচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন যুব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে নিয়মিত পরিবীক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৫ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ব্রিদ কোয়ালিশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। ‘ব্রিদিং ইন দ্য গ্রে: ফ্রম পলিসি গ্যাপস টু পাবলিক অ্যাকশন ফর ক্লিন এয়ার’ শীর্ষক এ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বায়ুদূষণ এখন জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও পরিবেশগত ন্যায়বিচারের জন্য গুরুতর হুমকি। পরিষ্কার বায়ু কোনো বিলাসিতা নয়; এটি মানুষের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের মৌলিক অধিকার।

সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর অ্যাটমোসফেরিক পলিউশন স্টাডিজের (ক্যাপস) পরিচালক অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার। তিনি বলেন, বায়ুদূষণ একটি অদৃশ্য ও জীবনঘাতী সংকট। এর কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু প্রায় ৫ দশমিক ৫ বছর কমে যাচ্ছে। প্রতিবছর বায়ুদূষণজনিত রোগে ১ লাখ ২ হাজার ৪৫৬ জনের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান বলেন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইনের কঠোর প্রয়োগ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ও নাগরিক অংশীদারত্ব জরুরি। একই সঙ্গে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়ু গবেষণা সেল গঠনের সুপারিশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বায়ু ছাড়া আমরা এক মিনিটও বাঁচতে পারি না। অথচ বায়ু নিয়ে গবেষণা খুবই কম। গবেষণা ছাড়া কার্যকর নীতিনির্ধারণ সম্ভব নয়। শুধু সমস্যা তুলে ধরলেই হবে না, টেকসই সমাধানে যুবসমাজকে সক্রিয় অংশীদার করতে হবে।

একশনএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার মো. মাসুদ পারভেজ অভি বলেন, বায়ুদূষণে শিশু, প্রবীণ, অসুস্থ ব্যক্তি ও কর্মজীবী মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন জরুরি।

দাবিনামায় বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-সহ বিদ্যমান সব নীতি ও কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ জানাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা হটলাইন চালুর প্রস্তাবও রয়েছে।

‘পলিউটার পেজ প্রিন্সিপল’ অনুযায়ী দূষণকারী শিল্প ও স্থাপনা থেকে জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায় এবং প্রয়োজন হলে লাইসেন্স স্থগিতের দাবিও তোলা হয়েছে।

ঢাকা ও সব বিভাগীয় শহরে পর্যাপ্ত বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন ও সচল রাখা, জনবহুল এলাকায় ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে রিয়েল-টাইম বায়ুমান সূচক (একিউআই) প্রদর্শন এবং প্রতিদিন বায়ুমান বুলেটিন প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া নির্মাণ এলাকায় ধুলা নিয়ন্ত্রণে নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা ও নিয়মিত পানি ছিটানো, ফিটনেসবিহীন ও কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং খোলা জায়গায় বর্জ্য ও প্লাস্টিক পোড়ানো বন্ধে কার্যকর নজরদারির দাবি জানানো হয়।

চরম দূষণের সময়ে জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি, ট্রাফিক পুলিশ ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য উপযুক্ত মাস্ক সরবরাহ, স্থানীয় পর্যায়ে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাজেট ও সরঞ্জাম বাড়ানো এবং সারা বছর জনসচেতনতা কার্যক্রম চালানোর দাবিও রয়েছে।

সরকারি নীতি প্রণয়ন ও মূল্যায়নে তরুণ গবেষক ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের পাশাপাশি সরকারি তদারকি ও বাস্তবায়ন কমিটিতে ব্রিদ কোয়ালিশনসহ যুব প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্বাধীন পরিবীক্ষক অংশীদার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানানো হয়েছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।