Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

সুপারিশ পেয়েও গেজেটে নেই ৫৭ জন

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ১০:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

৪৯তম বিসিএসে পিএসসির সুপারিশের পর বাদ চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে

কয়েক লাখ প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার একাধিক ধাপ পেরিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশ পেয়েছিলেন তারা। কেউ কেউ নিজ নিজ বিষয়ে ছিলেন মেধাতালিকার শীর্ষে। কিন্তু চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর দেখা গেল, সুপারিশ পাওয়া ৫৭ প্রার্থীর নামই নেই সেখানে। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও সাফল্যের পর শেষ মুহূর্তে এসে নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা ও হতাশায় পড়েছেন তারা।

৪৯তম বিসিএসের (বিশেষ) চূড়ান্ত ফলে শিক্ষা ক্যাডারে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল পিএসসি। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে, তাতে নিয়োগ পেয়েছেন ৬১১ জন। অর্থাৎ পিএসসির সুপারিশের পরও ৫৭ প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন।

নিয়োগবঞ্চিত কয়েকজন প্রার্থীর অভিযোগ, তাদের বেশির ভাগই গোয়েন্দা সংস্থার যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের কারণে বাদ পড়েছেন। তবে কী কারণে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে তারা কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করেছেন। বিসিএসের সব ধাপ সফলভাবে শেষ করার পর নিয়োগের শেষ পর্যায়ে এসে বাদ পড়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

৪৯তম বিসিএসে ইতিহাস বিষয়ে মেধাক্রমে প্রথম হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানা। পিএসসির সুপারিশ পাওয়ার পর চূড়ান্ত গেজেটে নিজের নাম না দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, তাকে গেজেট থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

ইংরেজি বিষয়ে মেধাক্রমে ১৪তম হয়েছিলেন বুশরা জাহান। তার দাবি, গেজেটে তার আগের ১৩তম এবং পরের ১৫তম মেধাক্রমের প্রার্থীর নাম থাকলেও তার নাম নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত না থাকার পরও কেন তাকে নিয়োগবঞ্চিত করা হলো।

আরেক প্রার্থী রেদওয়ান আহমেদ তাহমিদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও পরিশ্রমের পর ৪৯তম বিসিএসে সুপারিশ পেয়েও শেষ মুহূর্তে গেজেট থেকে বাদ পড়েছেন তিনি।

ভেরিফিকেশন নিয়ে পুরোনো বিতর্ক
বিসিএসে সুপারিশ পাওয়ার পর চূড়ান্ত নিয়োগের আগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রচলিত ব্যবস্থা নিয়ে আগেও প্রশ্ন উঠেছে। জনপ্রশাসনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গঠিত সংস্কার কমিশন এ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সুপারিশ করেছিল।

সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের ৯.২ অনুচ্ছেদে বিসিএসে উত্তীর্ণ প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা আছে কি না, মূলত সেই তথ্য পুলিশের কাছ থেকে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছ থেকেও তথ্য নেওয়ার কথা বলা হয়।

এ ছাড়া পদোন্নতির ক্ষেত্রে পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাওয়ার প্রচলন বাতিলের সুপারিশ করেছিল কমিশন। কমিশনের যুক্তি ছিল, এ ধরনের প্রক্রিয়া প্রশাসনে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বিদ্যমান বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১ অনুযায়ী, প্রার্থীর স্বাস্থ্যগত অযোগ্যতা বা অপরাধ-সংক্রান্ত বিষয় নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তবে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে কাউকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আপত্তি রয়েছে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের তথ্য না থাকলে শুধু পুলিশ বা গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে নিয়োগবঞ্চিত করার সুযোগ থাকা উচিত নয়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।