Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং

প্রতিবেদক
Louis Daru
অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক | রাজনীতি

চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রায় ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন শি জিনপিং। এই সময়ে কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিশ্বে চীনের অবস্থানে আমূল পরিবর্তন এনেছেন তিনি। তবে ৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের জীবনটা খুব সহজ ছিল না, বরং তা বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই ‘রাজপুত্র’ যিনি ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি পাওয়ার আগে জীবনের এক পর্যায়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন।

জীবনী ও উত্থান-পতনের সারসংক্ষেপ

  • 👑 সুবিধাজনক শুরু: ১৯৫৩ সালে বেইজিংয়ে জন্মগ্রহণ করা শি জিনপিংয়ের শৈশব কেটেছে নামকরা বিদ্যালয়ে এবং বিশেষ সুযোগ-সুবিধার মধ্য দিয়ে।
  • 👨‍👦 বিপ্লবী পিতার সন্তান: তার বাবা শি ঝংজুন ছিলেন একজন কমিউনিস্ট বিপ্লবী, যিনি পরবর্তীতে দলের ঊর্ধ্বতন নেতা এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
  • 📉 হঠাৎ পতন: ১৯৬০-এর দশকে তার বাবাকে ‘দল-বিরোধী’ চক্রের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত করে দল থেকে বহিষ্কার এবং গ্রামাঞ্চলে নির্বাসিত করা হয়।
  • ⏳ দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা: সব হারিয়ে ফেলা সেই ‘রাজপুত্র’ আজ দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর প্রায় ১৪ বছর ধরে চীনের মতো পরাশক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

রাজকীয় জীবন থেকে বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থান

শি-র গল্পের শুরুটা হয়েছিল একেবারে রাজকীয় ও বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থান থেকে। ১৯৫৩ সালে চীনের রাজধানী বেইজিং-এ জন্মগ্রহণ করেন শি জিনপিং। তার বাবা শি ঝংজুন ছিলেন একজন প্রখ্যাত কমিউনিস্ট বিপ্লবী, যিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দলের ঊর্ধ্বতন নেতা এবং উপ-প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন। বাবার ষষ্ঠ সন্তান হিসেবে শৈশবে শি নামকরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং এমন সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন যা সে সময়কার অধিকাংশ সাধারণ পরিবারের জন্য মোটেও সহজলভ্য ছিল না।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ও সব হারানো

কিন্তু একটা সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার পরিবারের একেবারে বিরুদ্ধে চলে যায়। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে, শি-র বাবাকে একটি ‘দল-বিরোধী’ চক্রের অংশ হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। তাকে শুধু দল থেকেই বহিষ্কার করা হয়নি, বরং গ্রামাঞ্চলে একটি কারখানায় কাজ করার জন্য নির্বাসিত করা হয়। বাবার এই অভাবনীয় পতনের পর তরুণ শি জিনপিংকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই সব সুবিধা হারিয়ে ফেলতে হয়।

অন্ধকার থেকে বিশ্বমঞ্চে চীনের রূপকার

সেই কঠিন দিনগুলো পার করে, দীর্ঘ ও চরম রাজনৈতিক সংগ্রামের পর শি জিনপিং আজ চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রায় ১৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। নিজের হারানো অবস্থান শুধু তিনি পুনরুদ্ধারই করেননি, বরং কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিশ্বমঞ্চে চীনের অবস্থানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সব হারানো সেই তরুণ আজ বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।

ঘটনার তথ্যচিত্র ও প্রাসঙ্গিক বিবরণ

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
আলোচিত ব্যক্তি শি জিনপিং (চীনের প্রেসিডেন্ট)
জন্ম ও স্থান ১৯৫৩ সাল, বেইজিং, চীন
পিতা শি ঝংজুন (কমিউনিস্ট বিপ্লবী ও প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী)
পতনের কারণ (১৯৬০ দশক) বাবাকে ‘দল-বিরোধী’ চক্রের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ও গ্রামাঞ্চলে নির্বাসন
বর্তমান অবস্থান প্রায় ১৪ বছর ধরে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।