Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

রামপালে পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে বিপিডিবি

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (MWp) ক্ষমতার দেশের অন্যতম বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে একটি বিশাল প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটিসহ মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প পেশ করা হয়।

রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রধান দিকসমূহ

  • 📍 বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনস্থ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
  • 💰 ব্যয় ও অর্থায়ন: ২,৪৯৮ কোটি টাকা (বিপিডিবির নিজস্ব ৩৭৪ কোটি এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২,১২৩ কোটি টাকা)।
  • ⏳ বাস্তবায়ন মেয়াদ: সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত।
  • 🌱 ভূমি ব্যবস্থা: অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন নেই; পূর্বের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অব্যবহৃত ‘ব্লক-বি’ এলাকায় নির্মাণ হবে।

জমি অধিগ্রহণের ঝামেলা ছাড়াই অব্যবহৃত ব্লকে স্থাপন

প্রকল্প প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য সরকারকে নতুন করে কোনো জমি অধিগ্রহণ করতে হবে না। ২০১২ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য রামপালে বিপিডিবি কর্তৃক ১ হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। উক্ত জমির একাংশে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হলেও অবশিষ্ট ‘ব্লক-বি’ এলাকার জমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন ছিল। সেই অব্যবহৃত স্থানেই এবার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও গ্রিড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সংযোগ

সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে সর্বনিম্ন ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার আধুনিক সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার এবং একটি পুলিং সাবস্টেশন তৈরি করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযোজনের লক্ষ্যে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন ও উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া কর্মচারীদের আবাসিক ডরমিটরি, রেস্টহাউস, মসজিদ এবং তিনতলা নিয়ন্ত্রণ ভবন নির্মাণ করা হবে। এটি পরিবেশ রক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

রেলওয়ের জন্য ৩০টি ইঞ্জিনের অনুমোদন ও একনেকের অন্যান্য সিদ্ধান্ত

একই একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা প্রসারে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) সংগ্রহের প্রকল্প প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB) থেকে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ঋণ এবং সরকারি অর্থায়নে ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা সংস্থানের সিদ্ধান্ত রয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার, নৌপরিবহন, পররাষ্ট্র ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প পেশ করা হয়।

রামপাল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প সংক্ষেপ

বিষয় / খাত বিস্তারিত তথ্য
প্রকল্পের নাম ও ক্ষমতা রামপাল ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (MWp) সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প
প্রাক্কলিত মোট ব্যয় ২,৪৯৮ কোটি টাকা (বিপিডিবি ও ফান্ড)
একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (৭ অক্টোবর ২০২৬)
সঞ্চালন ও প্রযুক্তি ব্যবস্থা ৩৬০ মেগাওয়াট ইনভার্টার, ৬৪০Wp প্যানেল, ৩ কিমি ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি লাইন
পরিবেশগত সুবিধা জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা হ্রাস ও কার্বন নিঃসরণ প্রশমন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।