![]()
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটাতে সরাসরি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাইর কাছে পাঠানো এক বিশেষ চিঠির মাধ্যমে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের ওপর সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত রাখার পথ খোঁজার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
- ✉️ চিঠি প্রেরণ: কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে গত সপ্তাহে এই চিঠি পাঠানো হয় এবং রবিবার তা ইরানি পক্ষের হাতে পৌঁছায়।
- 🤝 সরাসরি নেতৃত্ব: মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনা শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন জেডি ভ্যান্স।
- ⏳ সম্ভাব্য সময় ও স্থান: ইরানের ইতিবাচক প্রতিক्रিয়ার পর আগামী সপ্তাহেই কাতার বা তুরস্কে আলোচনা শুরু হতে পারে।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার গোপনীয় যোগাযোগ
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও পরবর্তীতে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এই যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের বরাਤੇ জানা গেছে, ওই চিঠিতে কোনো নির্দিষ্ট শান্তিচুক্তির পূর্বশর্ত নিয়ে আলোচনা করা হয়নি; বরং আলোচনার একটি সম্ভাব্য কাঠামো তৈরির ওপর প্রধান জোর দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে জেডি ভ্যান্স পরিষ্কার উল্লেখ করেছেন যে, আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে আলোচনার এজেন্ডায় রাখতে হবে। এদিকে, ইরানি নেতৃত্ব এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং মোহসেন রেজাই এর আনুষ্ঠানিক জবাব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কাতারের মধ্যস্থতা ও তেহরানের অনীহা
এর আগে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের কাছে একটি নতুন চুক্তির খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিল। তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তেহরান সেই পরিকল্পনাকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব হিসেবে মানতে নারাজ। বরং এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা ওই পরিকল্পনাকে একটি ‘অগ্রহণযোগ্য ধারণা’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জেডি ভ্যান্সের এই সরাসরি আলোচনার উদ্যোগ সংকট সমাধানে নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
