![]()
শ্রমিকের অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নতি জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন শুধু শ্রমিকদের একার বিষয় নয়। বরং এটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলার লড়াই।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেও অনেক তরুণকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতে হচ্ছে। এ কারণে শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি অনেকের কাছে অবাস্তব মনে হতে পারে।
তবে পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবির প্রতি শিক্ষিত, সচেতন ও পেশাজীবী মানুষের জোরালো সমর্থন থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, শ্রমিকের বেতন বাড়লে শুধু একজন শ্রমিকের আয় বাড়ে না, এর প্রভাব পড়ে পুরো অর্থনীতিতে। শ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে বাজারে পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হলে দেশের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়। আর দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল ভোগ করেন সাধারণ মানুষ।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভাষ্য, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার আন্দোলনকে কেবল একটি শ্রেণির স্বার্থের বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি সবার জীবনমান উন্নয়ন এবং বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
