Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ৫ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

‘মানুষ ভোট দিয়ে এমপি করেছে, সত্যটা মানুক বিএনপি’: রুমিন ফারহানা

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ৫, ২০২৬ ৫:৩১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত শহিদ পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা বর্জন করেছে স্থানীয় বিএনপি। নবনির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় দলটি এই সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেছেন, “মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছে—বিএনপিকে এই কঠিন সত্যটা মেনে নিতে হবে।”

বুধবার (৫ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ হলরুমে সরাইল উপজেলা প্রশাসন এই সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

অনুষ্ঠানে অন্য দলের উপস্থিতি থাকলেও ছিল না বিএনপি

উপজেলা প্রশাসনের এই অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের স্থানীয় শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও সরাইল উপজেলা বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা যায়নি।

অনুষ্ঠান শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, “মানুষের ভোটের অধিকারে যদি দল বিশ্বাস করে, জনগণের পছন্দের প্রতি যদি আস্থা থাকে, তবে যাঁরা আজকে অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন, তাঁদের আমি বলব—আপনারা মানুষের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তাহলে বিগত ১৭ বছর কিসের জন্য আন্দোলন করা হলো?”

বিএনপির দলীয় অবস্থান ও বহিষ্কার প্রসঙ্গ

উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম জানান, “এমপি হিসেবে তাঁকে প্রশাসন আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে আমাদের বিষয় হলো—দল থেকে তাঁকে বহিস্কার করা হয়েছে। তাই আমরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেইনি।”

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন রুমিন ফারহানা। ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পান ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

নির্বাচনের পূর্বে রুমিন ফারহানা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্বরত ছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অপরাধে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।