![]()
নিউজ প্রোভাইডার
মাঠে ছয়-ছয়টি বিশ্বকাপ এবং রেকর্ড পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের ঝুলিতে রয়েছে অজস্র কীর্তি। তবে ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ ফুটবল রূপকথার নায়কের জীবনে এবার শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়। পর্তুগালের আটলান্টিক উপকূলবর্তী সুন্দর শহর কাসকাইসে এক একান্ত ঘরোয়া আয়োজনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমের উপকূলীয় শহর কাসকাইসে আড়ম্বরহীন এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
সবসময় জাঁকজমকপূর্ণ জীবনের কেন্দ্রে থাকা রোনালদো নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানটি সেরেছেন একেবারে ব্যক্তিগত ও গোপনীয় পরিবেশে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দুজনের হাতের আংটি পরা একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে সিআরসেভেন লেখেন কেবল—‘C G’। মুহূর্তের মধ্যেই এই ছবি ও বার্তা বিশ্বজুড়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ঝড় তোলে এবং শুভেচ্ছা বার্তায় ভেসে যান এই নবদম্পতি।
জানা গেছে, মিডিয়া ও কৌতূহলী ভক্তদের চোখ এড়াতে এই বিশেষ গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়েছিল। বিয়েতে কোনো আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন না, উপস্থিত ছিলেন কেবল তাঁদের পাঁচ সন্তান—ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র (১৬), যমজ ইভা মারিয়া ও মাতেও (৯), আলানা মার্তিনা (৮) এবং বেলা এসমার (৪)।
২০১৬ সালে স্পেনের মাদ্রিদে ‘গুচ্চি’ (Gucci)-র এক শোরুমে কাজ করার সময় জর্জিনার সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল রোনালদোর। সেখান থেকে পথচলার শুরু। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রায় ৫০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের ৩৫ ক্যারেটের এক চোখধাঁধানো হীরার আংটি দিয়ে জর্জিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পর্তুগিজ তারকা।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব পিয়ার্স মরগানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো সেই স্মৃতিচারণ করে জানিয়েছিলেন, রাত একটার দিকে সন্তানেরা ঘুম থেকে উঠে বলেছিল, “বাবা, মাকে আংটিটা দাও।” ঠিক সেই গভীর রাতেই সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ও বিশ্বকাপ অভিযানের দীর্ঘ অধ্যায় শেষ করার পরপরই জীবনের অন্যতম সেরা সুন্দর এই ‘ম্যাচ’টি সম্পন্ন করলেন রোনালদো।
