Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২৪ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

নারায়ণগঞ্জে তৈরি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকার বিয়ের গাউন

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
আগস্ট ২৪, ২০২৬ ১:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার

ইউরোপ-আমেরিকার বিয়েতে কনেদের পরনে শোভা পাওয়া সফেদ ও চোখধাঁধানো বিয়ের গাউন এখন তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে। স্পেনে নকশা করা আন্তর্জাতিক মানের এসব পোশাক নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেড থেকে সরাসরি চলে যাচ্ছে জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিশ্বের প্রায় ৩৭টি দেশে।

আদমজী ইপিজেডের জার্মানি মালিকানাধীন তৈরি পোশাক কারখানা ‘ইউবিএফ ব্রাইডাল’ প্রতিবছর ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ লেখা ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের বিয়ের গাউন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করছে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কারখানাটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার ডলারের বিয়ের গাউন রপ্তানি করেছে। আর চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাদের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ লাখ ডলার। আন্তর্জাতিক বাজারে মধ্যম দরের ক্রেতাদের জন্য তৈরি এসব প্রতিটি গাউনের দাম ৫০০ থেকে দেড় হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কারখানাটিতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৪০০ শ্রমিক কাজ করছেন, যাদের সিংহভাগই নারী। সফেদ কাপড়ে অত্যন্ত সু সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে পুঁতি, পাথর, লেস ও জুরির কাজ বসিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশাল গাউনগুলো। একটি গাউন চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করতে প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় লাগে। গাউনের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন বিয়ের নানা আনুষঙ্গিক পোশাক যেমন—সাটিন ও লেসের জামা, বিয়ের বিশেষ ঘোমটা (ভেইল), বোলেরো জ্যাকেট ও গয়নাও তৈরি হয় এই কারখানায়।

২০১৯ সালে টঙ্গীতে প্রথম উৎপাদনে এসে দক্ষ শ্রমিকের তীব্র সংকটে পড়েছিল ইউবিএফ ব্রাইডাল। পরবর্তীতে কর্মীদের বিশেষ ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযোগী করা হয় এবং ২০২২ সালে কারখানাটি আদমজী ইপিজেডে স্থানান্তরিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মো. রবিউল হক সিদ্দিকী জানান, শুরুতে একটি উৎপাদন লাইন থাকলেও এখন আটটি লাইনে কাজ চলছে। ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও প্রায় ৬০ লাখ (৬ মিলিয়ন) ডলার নতুন বিনিয়োগের চিন্তা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘গ্র্যান্ড ভিউ রিসার্চ’-এর ২০২৬ সালের জুলাই মাসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে বিয়ের পোশাকের বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ বিলিয়ন (৯ হাজার ২০০ কোটি) ডলারে, যা আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ ১০৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। বিলাসবহুল বিয়ের পোশাকের এই বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট অংশগ্রহণ দেশের পোশাক খাতকে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ারে নিয়ে যাচ্ছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।