![]()
ঢাকায় শুরু হলো ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’: অংশ নিচ্ছে ২৭ দেশের ২০০ ব্র্যান্ড
দেশি-বিদেশি আধুনিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং প্রযুক্তির মেলবন্ধনে রাজধানীর পূর্বাচলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (ICCB) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশন (BAPA) এবং রেইনবো এক্সিবিশনের যৌথ আয়োজনে এবারের আসরটি আধুনিক প্রযুক্তির বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
- 📅 সময়কাল: ১০ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত (৩ দিনব্যাপী)।
- 📍 ভেন্যু: ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB), ঢাকা।
- 🌍 অংশগ্রহণ: বিশ্বের ২৭টি দেশের ২০০টির বেশি ব্র্যান্ড।
- 👥 দর্শনার্থী প্রত্যাশা: ২৪,০০০-এর বেশি মানুষ।
রপ্তানি সম্ভাবনা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সুনামের সাথে রপ্তানি হচ্ছে এবং এই খাতের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, এক্সপো আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মাঝে টিকে থাকতে হলে অটোমেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) এবং রোবোটিক্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়াতে হবে।
একনজরে: বাপা ফুডপ্রো এক্সপো ২০২৬
| বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
|---|---|
| আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান | বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশন (BAPA) ও রেইনবো এক্সিবিশন। |
| পরিদর্শনের সময়সূচি | ১০-১১ সেপ্টেম্বর: সকাল ১০টা-সন্ধ্যা ৭টা | ১২ সেপ্টেম্বর: সকাল ১০টা-সন্ধ্যা ৬:৩০। |
| অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য দেশ | যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন, জার্মানি, ফ্রান্স, মালয়েশিয়াসহ ২৭ দেশ। |
| প্রদর্শনীর ফোকাস এরিয়া | আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্যাকেজিং, ওয়্যারহাউজিং, কোল্ড-চেইন ম্যানেজমেন্ট ও লজিস্টিকস। |
এক ছাদের নিচে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মেলবন্ধন
বাপা ফুডপ্রো এক্সপো উদ্যোক্তাদের জন্য এমন একটি সুযোগ তৈরি করেছে, যেখানে তারা এক ছাদের নিচেই আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন যন্ত্রপাতি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সন্ধান পাচ্ছেন। বাপা সভাপতি মাহবুব আনাম জোর দিয়ে বলেন, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক মান ও কমপ্লায়েন্স বজায় রাখা অপরিহার্য। প্রদর্শনীটি দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে এবং ভ্যালু চেইন উন্নত করতে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
