Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

এআই ছাড়াই কোডিংয়ে চমক দেখাচ্ছে খুদে প্রোগ্রামার

প্রতিবেদক
Louis Daru
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৪:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

প্রযুক্তি
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বয়সে তরুণ হলেও কোডিংয়ে অসাধারণ দক্ষ, এআই ছাড়াই চমক দেখাচ্ছে ‘মামিউইন’
প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিংয়ে নিজের মেধা ও সৃজনশীলতার প্রমাণ রাখছেন এই খুদে প্রোগ্রামার
নিজস্ব প্রতিবেদক, TouchBangladesh

ছবি: সংগৃহীত

অনেক তরুণ শিক্ষার্থী যখন প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক বিষয়গুলো শিখতে ব্যস্ত, তখন থাওয়িন “মামিউইন” চ্যালেরমডিট (Thawin “Mameewin” Chalermdit) ইতিমধ্যেই জটিল সব অ্যালগরিদমিক সমস্যার সমাধান করে চলেছেন। তাঁর এই কাজের জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী যুক্তি, কারিগরি জ্ঞান এবং গভীর সৃজনশীলতা।

মৌলিক জ্ঞানেই বাজিমাত
প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিংয়ের (Competitive Programming) মাধ্যমে এই খুদে প্রোগ্রামার দেখিয়ে দিচ্ছেন কীভাবে একটি জটিল সমস্যাকে ভেঙে বিশ্লেষণ করে কার্যকর সমাধানে রূপ দেওয়া যায়। কোডিংয়ের ক্ষেত্রে তিনি এমন সব দক্ষতা প্রদর্শন করছেন, যা অর্জন করতে সাধারণত বছরের পর বছর ধরে ধারাবাহিক অনুশীলন করতে হয়। প্যাটার্ন শনাক্ত করা, নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে কাজ করা, সঠিক অ্যালগরিদম বেছে নেওয়া এবং সমাধানগুলোকে আরও নির্ভুল ও দ্রুতগামী করার ক্ষেত্রে তিনি রীতিমতো বিস্ময় জাগিয়েছেন।

‘এআই’ নয়, নিজের মেধার ব্যবহার
তাঁর এই অসাধারণ সাফল্যের চেয়েও বেশি নজর কেড়েছে সমস্যা সমাধানের প্রতি তাঁর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। অনলাইনে অনেকেই দাবি করেছিলেন যে, মামিউইনের কোডিং প্রক্রিয়ায় হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) টুল ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোডিংয়ের সময় তিনি কোনো এআই টুলের সাহায্য নেন না; বরং সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও বোঝাপড়া দিয়েই তিনি কাজ করেন।

বর্তমান সময়ে যখন এআই চোখের পলকে কোড তৈরি করে দিতে পারে, তখন মামিউইনের ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরে। এটি প্রমাণ করে যে, প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক বিষয়গুলো শক্তভাবে আয়ত্ত করার মাধ্যমে একজন তরুণ প্রোগ্রামার কতটা দূর পর্যন্ত যেতে পারেন।

প্রোগ্রামারের মতো ভাবার সক্ষমতা
প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিং কেবল দ্রুত কোড টাইপ করার বিষয় নয়। এর জন্য প্রয়োজন অসীম ধৈর্য, গাণিতিক যুক্তি এবং অপরিচিত সমস্যার সামনে স্থির থেকে সমাধান বের করার ক্ষমতা। অল্প বয়সেই মামিউইনের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রবলভাবে দেখা যাচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যতই প্রোগ্রামিংয়ের জগৎকে বদলে দিক না কেন, মামিউইনের মতো তরুণ প্রতিভারা আমাদের মনে করিয়ে দেন—শক্তিশালী প্রযুক্তি হয়তো কাজের ধরন বদলে দিতে পারে, কিন্তু একজন প্রোগ্রামারের মতো যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে পারার ক্ষমতাই হলো সবচেয়ে মূল্যবান দক্ষতা।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।