Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

প্রতিবেদক
Touch Bangladesh News
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ২:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

কোমলমতি শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা, আকাশচুম্বী আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বিকশিত করতে তাদের উপযুক্ত শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা এবং স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল ‘ব্লু স্কাই’ পরিদর্শন করেন তিনি। পরে মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুবাইদা রহমান এ আহ্বান জানান। শিশুরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার মহান সৈনিক উল্লেখ করে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘এখানে এসে একটি কথাই মনে পড়ছে, সেটা হলো- যেকোনো আকাঙ্ক্ষার জন্য মুক্ত আকাশই শেষ সীমানা। শিশু কিশোররা আকাশচুম্বী আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যাবে। কারণ, আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ গড়ার মহান সৈনিক। শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ।’

শিশুদের উৎকর্ষ সাধনে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীতে কন্যা শিশুদের জন্য বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই শিশুদের উৎকর্ষ সাধনের জন্যই স্থাপিত হয়েছিল শিশু একাডেমি। পরবর্তীতে কন্যা শিশুদের উচ্চতর স্তরে লেখাপড়া অবৈতনিক করা হয়। নতুন কুঁড়ির মতো সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলা বিষয়ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।’

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘প্রতিটি শিশুর জীবন অগণিত আকাশচুম্বী ভাবনায় ভরপুর। শুধু চায় সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা, তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের বন্দোবস্ত ও সবুজ খোলামাঠে প্রকৃতির মাঝে খেলাধুলা, বিচরণের সুযোগ, যেকোনো ব্যাধির চিকিৎসার নিশ্চয়তা আমাদের সকলের সৃষ্টি করতে হবে। যেন বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায়, উপজেলায়, ৫৯৯টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৯৯০ টি গ্রামের কোনো শিশু-কিশোর অবহেলায় ঝরে না পড়ে। প্রত্যেক শিশু যেন তার অভিভাবক ও পরিবারের কাছে সুরক্ষিত থাকে।’

শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনার প্রশংসা করে জুবাইদা রহমান বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা পেলে শিশুরা তাদের অসীম প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। দলগতভাবে যেকোনো সাফল্য অর্জন এবং খেলাধুলার মানসিকতা তাদের পরবর্তীতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শক্তি ও মনোবল জোগাবে।’

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।