![]()
খেলাধুলা
অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের কাছে ৩-১ গোলে হারল টটেনহ্যাম, খেলোয়াড়দের রেটিং
ইএফএল কাপের তৃতীয় রাউন্ডে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের মুখোমুখি হয় টটেনহ্যাম হটস্পার। শুরু থেকেই ধীরগতিতে খেলা শুরু করে স্পার্স এবং ২১তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে পিছিয়ে পড়ে। প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ছিল ১-০।
৫৪তম মিনিটে কোডি গাকপো দ্বিতীয় গোলটি করেন। তবে ৬৯তম মিনিটে কনর গ্যালাগার একটি গোল শোধ দিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন। কিন্তু ইনজুরি টাইমে দমিনিক সোবোস্লাইয়ের দুর্দান্ত গোলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়ে যায় এবং টটেনহ্যামকে ৩-১ গোলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।
“কনর গ্যালাগার ৬৯তম মিনিটে গোল করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত টটেনহ্যামের হার এড়ানো যায়নি।”
চলুন দেখে নেওয়া যাক এই ম্যাচে টটেনহ্যাম হটস্পারের প্রতিটি খেলোয়াড় কেমন পারফর্ম করেছেন।
গোলরক্ষক: পেছনে দুইটি ভালো সেভ করলেও আজ তিন গোল হজম করেছেন।
আরবি: আর্চি গ্রে – ৬.৫/১০ — নিজের অর্ধে প্রতিরক্ষার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেছেন এবং বাতাসে শক্তিশালী উপস্থিতি বজায় রেখেছেন।
সিবি: তোসিন আদারাবিও – ৬.৫/১০ — সুযোগ পেলেই বল ক্লিয়ার করেছেন, তবে পেছনে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সিবি: মার্কোস সেনেসি – ৬.৫/১০ — মাঝেমধ্যে ভালোভাবে রক্ষণ করেছেন, তবে লিভারপুলের আক্রমণভাগকে শান্ত রাখতে পারেননি।
এলবি: ডেসটিনি উদোগি – ৬/১০ — পরিশ্রম করেছেন, তবে রক্ষণে বিশেষ ছাপ ফেলতে পারেননি।
সিএম: লুকাস বার্গভাল – ৭/১০ — মিডফিল্ড ভালোভাবে ধরে রেখেছেন এবং প্রতিপক্ষের অর্ধে নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন।
সিএম: রদ্রিগো বেনতানকুর – ৬/১০ — দুইবার বল দখল করেছেন, তবে আক্রমণে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেননি।
আরডব্লিউ: মোহাম্মদ কুদুস – ৬/১০ — কিছু বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছেছিলেন, তবে গোল করতে পারেননি।
সিএএম: কনর গ্যালাগার – ৭/১০ — ফাইনাল থার্ডে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং ৬৯তম মিনিটে নিজের নাম গোলের তালিকায় লিখিয়েছেন।
এলডব্লিউ: ম্যাথিস টেল – ৬/১০ — দুইবার দ্রুতগতিতে বল নিয়ে এগিয়েছেন, তবে গোলের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেননি।
এসটি: ওমর মারমুশ – ৬.৫/১০ — লিভারপুলের ডিফেন্ডারদের জন্য সত্যিই কঠিন প্রতিপক্ষ ছিলেন, তবে গোলের দেখা পাননি।
এলবি: অ্যান্ডি রবার্টসন – ৬/১০ — ম্যাচে তাঁর প্রভাব ন্যূনতম ছিল।
সিএম: মাতেউস ফার্নান্দেস – ৭/১০ — একটি অ্যাসিস্ট নিশ্চিত করে ভালো কাজ করেছেন।
সিএএম: জেমস ম্যাডিসন – ৬/১০ — গোলের লক্ষ্যে শট নিতে পিছপা হননি। বেঞ্চ থেকে নামার পর উজ্জ্বল ছিলেন।
