Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

বারবার মিষ্টি বা লবণাক্ত খাওয়ার ইচ্ছা? জানুন শরীরের গোপন সংকেত

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

মাঝেমধ্যে মিষ্টি, কার্বোহাইড্রেট বা লবণাক্ত খাবারের প্রতি ঝোঁক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক স্বাভাবিক বিষয়। তবে এই আকাঙ্ক্ষা যদি নিয়মিত ও তীব্র রূপ নেয়, তবে তা কেবল নিছক জিবের স্বাদ বা অভ্যাসের বিষয় নাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে থাকতে পারে হরমোনের ওঠানামা, মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি কিংবা রক্তে শর্করার তারতম্যের মতো শারীরিক কারণ।

ভারতের মেনোপজ কোচ ও মেনোভেডারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তামান্না সিংয়ের মতে, বারবার নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি এই ঝোঁক মূলত দ্রুত শক্তি জোগানোর জন্য শরীরের দেওয়া এক ধরনের সংকেত।

হরমোনের তারতম্য ও রক্তের শর্করা

নারীদের শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা নিয়ন্ত্রণে ইস্ট্রোজেন হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে পেরিমেনোপজ বা মেনোপজের আগের সময়টাতে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ওঠা-নামা করায় খাবার খাওয়ার পরও রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত কমে যেতে পারে।

রক্তে শর্করার এমন আকস্মিক পতনের ফলে শরীর দ্রুত শক্তির উৎস হিসেবে মিষ্টি বা প্রসেসড কার্বোহাইড্রেটের দিকে ঝুঁকে পড়ে। একে আত্মসংযমের অভাব না ভেবে দ্রুত শক্তি পেতে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবেই দেখেন চিকিৎসকরা।

ঘুমের ঘাটতি ও ক্ষুধার হরমোন

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও মিষ্টি বা নোনতা খাবারের চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। গবেষকরা জানান, ঘুম কম হলে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ‘ঘ্ৰেলিন’ ও তৃপ্তি প্রদানকারী হরমোন ‘লেপ্টিন’-এর ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে পর্যাপ্ত খাওয়ার পরও পরিপূর্ণ তৃপ্তি আসে না এবং ক্লান্তি দূর করতে শরীর বারবার উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবারের সংকেত পাঠাতে থাকে।

মানসিক চাপ ও কোর্টিসল

অতিরিক্ত কাজের চাপ, ডেডলাইনের দুশ্চিন্তা কিংবা পারিবারিক মানসিক চাপের সময় শরীরে ‘কোর্টিসল’ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই স্ট্রেস হরমোন মূলত তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে মিষ্টি ও লবণাক্ত খাবারের প্রতি মানুষকে প্রভাবিত করে। ফলে কোনো শারীরিক পরিশ্রম না করা সত্ত্বেও মানসিক চাপের মুখে নোনতা বা মিষ্টি স্ন্যাক্স খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

খাবারের এই তীব্র আকাঙ্ক্ষাকে কেবল ইচ্ছাশক্তির অভাব বা খারাপ অভ্যাস হিসেবে না দেখে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা:

  • খাবার বাদ না দেওয়া: ক্ষুধা এড়াতে নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খেতে হবে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে দিনের শেষভাগে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

  • সুষম খাদ্য তালিকা: রক্তে শর্করার মাত্রা স্থির রাখতে কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যুক্ত করতে হবে।

  • পর্যাপ্ত ঘুম: ক্ষুধা ও তৃপ্তির হরমোন স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিন নিয়ম মেনে ঘুমানো জরুরি।

  • প্যাটার্ন পর্যবেক্ষণ: দিনের ঠিক কোন সময়ে, কী ধরনের মানসিক পরিস্থিতিতে বা মাসিক চক্রের কোন ধাপে এই আকাঙ্ক্ষা বাড়ছে—তা চিহ্নিত করা গেলে মূল কারণ বোঝা সহজ হয়।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।