Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ৩০ জুন ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

নীরব ঘাতক ডায়াবেটিস: জেনে নিন এর প্রধান লক্ষণ ও ঝুঁকি কমানোর উপায়

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
জুন ৩০, ২০২৬ ৩:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

নিউজ প্রোভাইডার 

রক্তে শর্করার বা গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গেলে যে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যগত জটিলতার সৃষ্টি হয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় তাকে ডায়াবেটিস বলা হয়। মানবদেহের অগ্ন্যাশয় যখন চাহিদামতো পর্যাপ্ত ইনসুলিন হরমোন তৈরি করতে ব্যর্থ হয় কিংবা উৎপাদিত ইনসুলিন শরীর যখন সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে না, তখনই এই রোগের উৎপত্তি ঘটে। মূলত ইনসুলিন হলো এমন এক বিশেষ হরমোন, যা রক্তপ্রবাহে থাকা চিনি বা গ্লুকোজকে শরীরের বিভিন্ন কোষে প্রবেশ করিয়ে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত ডায়াবেটিসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে প্রথমটি হলো ‘টাইপ ১ ডায়াবেটিস’, যেখানে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুলবশত অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে, ফলে দেহে কোনো ইনসুলিন তৈরি হতে পারে না। দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে সাধারণ রূপটি হলো ‘টাইপ ২ ডায়াবেটিস’; এই ক্ষেত্রে শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না অথবা উৎপাদিত ইনসুলিনের প্রতি দেহ কোষগুলো সঠিকভাবে সাড়া দিতে পারে না। এর বাইরে কেবল নারীদের গর্ভাবস্থায় সাময়িকভাবে এক ধরনের ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে, যা ‘গর্ভকালীন ডায়াবেটিস’ নামে পরিচিত।

লক্ষণগুলোর বিষয়ে সচেতন থাকলে এই রোগটি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব। সাধারণত অতিরিক্ত মাত্রায় ঘন ঘন তৃষ্ণা পাওয়া, বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া এবং কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে দ্রুত শরীরের ওজন কমে যাওয়া ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ। এছাড়া সার্বক্ষণিকভাবে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা, চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা এবং ত্বক বা শরীরের কোথাও কোনো ক্ষত বা কেটে গেলে তা সহজে না শুকানোও এই রোগের অন্যতম প্রধান উপসর্গ হিসেবে বিবেচিত হয়।

যদিও টাইপ ১ ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ জিনগত কারণে হওয়ায় তা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো বা বিলম্বিত করা যায়। এর জন্য সবার আগে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি; বিশেষ করে অতিরিক্ত মিষ্টি, কোমল পানীয় ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল সমৃদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। এর পাশাপাশি অলসতা কাটিয়ে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাচলার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে সর্বদা একটি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত ওজন বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।