![]()
অভিবেশন নীতি সবসময়ই ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক বার্তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ২০১৫ সালে ট্রাম্প টাওয়ারের স্বর্ণালী সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থিতা ঘোষণার দিন থেকেই মেক্সিকোকে লক্ষ্য করে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। প্রথম মেয়াদে আদালতের বাধায় কিছু পরিকল্পনা সীমিত থাকলেও, দ্বিতীয় মেয়াদে আদালতের অনুকূল অবস্থান এবং কংগ্রেসের বিপুল অর্থায়নের ফলে সেই প্রতিবন্ধকতাগুলো অনেকটাই কেটে গেছে। আসন্ন মিডটার্ম নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন ভোটারদের মনে অভিবাসন ও সীমান্ত সুরক্ষা এখনও অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়।
- 🚪 কার্যকরভাবে বন্ধ সীমান্ত: ট্রাম্পের কঠোর নীতি এবং আশ্রয়ের আবেদন সীমিত করায় সীমান্ত পারাপার নাটকীয়ভাবে কমে গেছে।
- 🧱 সীমান্ত দেওয়ালের দ্রুত নির্মাণ: অতিরিক্ত তহবিলের কল্যাণে নতুন করে শত শত মাইল দেওয়াল নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত সংযুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
- ⚖️ রাজনৈতিক বিতর্ক: কড়া পদক্ষেপের ফলে সীমান্ত সুরক্ষিত হলেও কড়াকড়ি অতিরিক্ত মাত্রায় চলে গেছে কি না, তা নিয়ে ভোটারদের মাঝে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
১. সীমান্ত এখন অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রিত ও বন্ধ
জো বাইডেনের presidenc-এর সময় ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দক্ষিণ সীমান্তে রেকর্ডসংখ্যক সাড়ে চার মিলিয়নের বেশি অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল। তবে ট্রাম্প পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরার পর সেই চিত্র পাল্টে যায় এবং সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। গত বছরের শেষ দিকে টেক্সাসের এল পাসো পরিদর্শনে গিয়ে বিবিসি দেখতে পায়, অতীতে যেখানে হাজার হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী শিবির ছিল, সেখানে এখন শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়াইন মুলিন এক বিবৃতিতে জানান, কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান জনগণের কাছে দেওয়া সীমান্ত সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি সফলভাবে রক্ষা করেছে।
২. ত্বরান্বিত হয়েছে সীমান্ত দেওয়াল নির্মাণ
যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে বিশাল দেওয়াল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণার একটি বড় অংশ ছিল। দ্বিতীয় মেয়াদে নতুন তহবিল পাওয়ার ফলে এর নির্মাণ কাজ আরও গতিশীল হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্প ফিরে আসার পর আরও ২৫০ মাইল নতুন দেওয়াল নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং অতিরিক্ত প্রায় ১,৪৪৩ মাইলের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিলের বিশেষজ্ঞ অ্যারন রাইচলিন-মেলনিকের মতে, নতুন দেওয়াল নির্মাণ সরাসরি সীমান্ত পারাপারের সংখ্যা হ্রাসে বড় কোনো ভূমিকা রাখেনি; বরং ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতি ও বার্তা এক্ষেত্রে মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।
