![]()
৮ বছর পর সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আজিজ খান
আট বছর পর মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশের মুহাম্মদ আজিজ খান। ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি দেশটির শীর্ষ ধনীর তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস প্রকাশিত ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের ৫০ শীর্ষ ধনীর তালিকায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।
- 📊 অবস্থান পরিবর্তন: ২০২৫ সালে ৪৯তম অবস্থানে থাকলেও ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ তালিকায় আজিজ খানের নাম নেই।
- 💼 সামিট গ্রুপের খাতসমূহ: বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস ও আবাসন খাতে সামিট গ্রুপের মূল ব্যবসা বিস্তার।
- 🤝 জাপানি অংশীদারিত্ব: সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২% শেয়ারের মালিক জাপানের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান জেইআরএ (JERA)।
- 📈 সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক অগ্রগতি: ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সিঙ্গাপুরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.১ শতাংশে পৌঁছেছে।
সামিট গ্রুপের বৈশ্বিক অবস্থান ও ব্যবসায়িক পরিচালনা
ফোর্বসের তথ্যানুসারে, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মুহাম্মদ আজিজ খান বাংলাদেশের অবকাঠামোগত বৃহৎ প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান। ২০২৫ সালে ফোর্বসের বিলিয়নেয়ার তালিকায় ২৭৯০তম অবস্থানে ছিলেন এবং সে সময় তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১১০ কোটি মার্কিন ডলার ($1.1 Billion)। বর্তমানে দেশের অন্যতম বিদ্যুৎ উৎপাদক সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের প্রধান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তাঁর কন্যা আয়েশা আজিজ খান।
এআই ও প্রযুক্তি খাতের জোয়ারে সিঙ্গাপুরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি
বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জামের বাড়তি চাহিদার ফলে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে সিঙ্গাপুর ৬.১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ফোর্বসের জরিপ অনুযায়ী, তালিকার ৩৫ ধনীর সম্পদ বাড়লেও প্রযুক্তিনির্ভর কয়েকজনের সম্পদ হ্রাসের ফলে শীর্ষ ৫০ ধনীর মোট সমন্বিত সম্পদ ২৩,৯০০ কোটি ডলারেই (২৩৯ বিলিয়ন) অপরিবর্তিত রয়েছে।
ফোর্বসের তালিকায় আজিজ খানের অবস্থান ও সম্পদের তথ্য
| বছর | সিঙ্গাপুরের তালিকায় অবস্থান | সম্পদের পরিমাণ (ফোর্বস) |
|---|---|---|
| ২০২৬ | তালিকায় নেই (৫০-এর বাইরে) | ~১০০ কোটি ডলার ($1B) |
| ২০২৫ | ৪৯তম অবস্থান | ১১০ কোটি ডলার ($1.1B) |
| ২০২৪ | ৪৩তম অবস্থান | ১১০ কোটি ডলার ($1.1B) |
| ২০২৩ | ৪১তম অবস্থান | ১১২ কোটি ডলার ($1.12B) |
| ২০২২ | ৪২তম অবস্থান | ১০০ কোটি ডলার+ |
