![]()
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও ভ্যাকসিন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় জাপানের বিশেষ দূতকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বান
মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতকরণ, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং একটি আধুনিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
- 🤝 সম্মানজনক প্রত্যাবাসন: রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান।
- 💉 ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা: বাংলাদেশে বৈশ্বিক মানের একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলতে জাপানের প্রযুক্তিগত সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
- 💼 বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।
- 🌐 বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ: দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার পাশাপাশি সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরালো করার বিষয়ে একমত উভয় পক্ষ।
রোহিঙ্গা সংকট নিরসন ও মানবিক সহযোগিতা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতি ও সামগ্রিক অবকাঠামোয় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। প্রত্যাবাসন পরবর্তী সময়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনেও সহায়তার আশ্বস্ত দেয় বাংলাদেশ। জবাবে বিশেষ দূত ইয়োহেই সাসাকাওয়া জানান, মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে আলোচনা হলেও রাখাইন রাজ্যের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
ভ্যাকসিন হাব ও সরাসরি জাপানি বিনিয়োগে জোর
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে স্বাবলম্বী স্বাস্থ্য খাত ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে একটি ভ্যাকসিন কেন্দ্র স্থাপনে জাপানের সহায়তা চান, যার প্রতি বিশেষ দূত ইতিবাচক সায় দেন। একই সঙ্গে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথা উল্লেখ করে আরও বেশি পরিমাণ জাপানি বিনিয়োগ আহ্বান করা হয়। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের সারসংক্ষেপ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| জাপানের বিশেষ প্রতিনিধি | ইয়োহেই সাসাকাওয়া (বিশেষ দূত, ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন) |
| বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব | প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান |
| উপস্থিত মন্ত্রী ও উপদেষ্টাবৃন্দ | আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, শাকিরুল ইসলাম খান |
| প্রধান দুই প্রস্তাব | ১. স্থায়ী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ২. বাংলাদেশে ভ্যাকসিন হাব গঠন ও জাপানি বিনিয়োগ |
