Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

লিবিয়ার গানফুদা কেন্দ্র থেকে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

লিবিয়ার বেনগাজীতে অবস্থিত গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ১৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্বেচ্ছায় স্বদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। বাংলাদেশ সরকার, লিবিয়া সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে এই মানবিক প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মূল তথ্য

  • ✈️ বিশেষ ফ্লাইট: বুরাক এয়ারের (ইউজেড-২২২) একটি বিশেষ ফ্লাইটে সকাল ১০টা ৪ মিনিটে দেশে পৌঁছান ১৬৮ জন বাংলাদেশি।
  • 📍 আটক কেন্দ্র: লিবিয়ার বেনগাজীতে অবস্থিত ‘গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার’।
  • ⚠️ অনিয়মিত যাত্রা: সমূদ্রপথে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ করে অনেকে নির্যাতন ও অপহরণের শিকার হন।
  • 🤝 আইওএম-এর সহায়তা: প্রত্যাবাসিতদের পথখরচ, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মানবপাচারের শিকার ও নির্যাতন ভোগ

দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই মানবপাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টার সময় বা লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাদের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সময় অপহরণ, জিম্মিদশা ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। পরবর্তীতে তাদের লিবীয় কর্তৃপক্ষের হাতে বন্দি হয়ে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে দিন কাটাতে হয়।

বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা ও সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম (IOM)-এর কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান। অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিত কর্মীদের নিজেদের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা স্বজন ও অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অনুরোধ জানান কর্মকর্তারা।

জরুরি পুনর্বাসন সহায়তা ও যৌথ প্রচেষ্টা

আইওএমের পক্ষ থেকে দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে তাৎক্ষণিক নগদ পথখরচ, জরুরি খাদ্যসামগ্রী এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে। যাদের থাকার সুনির্দিষ্ট জায়গা নেই, তাদের জন্য অস্থায়ী আবাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। লিবিয়ার অন্যান্য আটক কেন্দ্রে বন্দি থাকা বাকি বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে ত্রিপোলিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএম যৌথ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

লিবিয়া প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের বিবরণ

বিষয় তথ্য
প্রত্যাবাসিত সংখ্যা ১৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক
আগমনের সময় ও তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:০৪ মিনিট
ফ্লাইট নম্বর ও বিমান সংস্থা বুরাক এয়ার (Burak Air – UZ-222)
প্রত্যাবাসনের স্থান গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার, বেনগাজী, লিবিয়া
সহযোগী সংস্থাসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, লিবিয়া সরকার, আইওএম (IOM)

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।