Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মণিপুরে নাগা বিদ্রোহীদের হামলায় ২ নারীসহ নিহত ৬

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক | ভারত ও মণিপুর সংকট

মণিপুরে আবার অশান্তি: নাগা বিদ্রোহীদের গুলিতে ২ নারী নিহত, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | TouchBangladesh
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। রাজ্যের তামেংলং জেলায় সন্দেহভাজন নাগা বিদ্রোহীদের গুলিতে ২ জন নারী নিহত হয়েছেন এবং একাধিক ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম ‘টাইমস নাউ’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংঘাত ও প্রাণহানির প্রধান দিকসমূহ

  • 🚨 দুই দিনে ৬ হত্যা: তামেংলং ও নোনি জেলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় সংঘাতের ফলে মোট ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
  • 🌾 খেত থেকে উদ্ধার মরদেহ: তামেংলংয়ে ৬০ বছর বয়সী চঙ্গা সিথলো এবং ৩০ বছর বয়সী কিমবোই সিংনের মরদেহ খেত থেকে উদ্ধার করা হয়।
  • মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি: সুনির্দিষ্ট বিচার না পাওয়া পর্যন্ত নিহত দুই নারীর মরদেহ গ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছে ‘কুকি ইনপি মণিপুর’।
  • 📊 দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়ক্ষতি: ২০২৩ সালের মে থেকে চলা মেইতেই-কুকি জাতিগত সংঘাতের কারণে এ পর্যন্ত ৩০৬ জন নিহত ও ৪৯ জন নিখোঁজ।

পর পর দুই দিনে একাধিক গ্রামে রক্তাক্ত হামলা

প্রতিবেদনে জানা যায়, তামেংলং জেলার সর্বশেষ হামলায় নিহত চঙ্গা সিথলো (৬০) ও কিমবোই সিংন (৩০)-এর মরদেহ খেত থেকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তামেংলংয়ের টোলেন কুকি গ্রামে এক দম্পতিকে হত্যা করা হয় এবং তাদের শিশু সন্তান গুরুতর আহত হয়। একই দিনে নোনি জেলার লংপি গ্রামে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা আরও এক নারী ও এক পুরুষকে গুলি করে হত্যা করে।

মরদেহ গ্রহণে অনীহা ও সরকারের নীরবতার সমালোচনা

চুড়াচাঁদপুর কেন্দ্রিক কুকি সংগঠন ‘কুকি ইনপি মণিপুর’ এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। স্বজনদের সুবিচার না হওয়া পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ গ্রহণ না করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে তারা অভিযোগ তোলে, বেসামরিক কুকি-জো সম্প্রদায়ের মানুষদের সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের নীরবতার কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ মোড়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

২০২৩ থেকে চলমান মেইতেই-কুকি জাতিগত সংঘাত

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মণিপুরের সমতলের মেইতেই সম্প্রদায় এবং পাহাড়ি অঞ্চলের কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাত ও অস্থিরতায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩০৬ জন নিহত, ৪৯ জন নিখোঁজ এবং হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত ও গৃহহীন হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

মণিপুর সহিংসতার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতি

বিষয় উপাত্ত ও বিস্তারিত
সাম্প্রতিক সহিংসতার স্থান তামেংলং ও নোনি জেলা, মণিপুর
সাম্প্রতিক প্রাণহানি (২ দিন) ৬ জন (২ জন নারীসহ)
নিহতদের পরিচয় (তামেংলং) চঙ্গা সিথলো (৬০) ও কিমবোই সিংন (৩০)
প্রতিবাদী সংগঠন কুকি ইনপি মণিপুর (Kuki Inpi Manipur)
মোট প্রাণহানি (মে ২০২৩ থেকে) নিহত ৩০৬+ জন, নিখোঁজ ৪৯ জন, হাজার হাজার গৃহহীন

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।