![]()
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ও তদন্তের মোড়:
মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তুহিনের ফোনে একটি কিশোরের বারবার কল আসার সূত্র ধরে পুলিশ রহস্যের মূল ক্লু পায়। ওই কিশোর নিহত অপ্রতিমের বাবার ইলেকট্রনিক্স দোকান ‘ইয়েসটেক’-এ ঘটনার ১০ দিন আগে বিনা বেতনে কাজ শুরু করেছিল।
হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ: ১. টাকা ধার ও আইফোন কেন্দ্রিক বিরোধ: অপ্রতিম ওই কিশোরকে ৫,০০০ টাকা ধার দিয়েছিল। টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। অপ্রতিম মারা গেলে টাকা শোধ করতে হবে না—এমন ভাবনা এবং আইফোন নেওয়ার লোভ থেকে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।
২. পূর্ব শত্রুতার সন্দেহ: ড. নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। সেই প্রতিশোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা-ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
