Touch Bangladesh
ঢাকাবুধবার , ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

৭৮ লাখের সেতুতে নেই সংযোগ সড়ক, ভোগান্তিতে রাজারহাটের ৮ গ্রাম

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বালাটারী গ্রামে মরা তিস্তা খালের ওপর ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু কয়েক বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ৩০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটির মূল অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হলেও উভয় পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) না থাকায় এটি স্থানীয়দের কোনো কাজে আসছে না।

ফলশ্রুতিতে সেতু থাকা সত্ত্বেও চাকিরপশার ও নাজিমখান ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ খালের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে পারছেন না। তাদের প্রতিদিন প্রায় তিন কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির মূল ঠিকাদার ছিলেন মেসার্স শীতল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মোকছেদুল হক। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় দুই দফায় সময় বাড়িয়ে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

সেতুর অবকাঠামো প্রস্তুত হলেও সংযোগ সড়ক তৈরি না করেই কাজ ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালের ওপর সেতু হওয়ায় তারা ভেবেছিলেন দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ কমবে। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় সেই প্রত্যাশা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে।

এছাড়া নির্মাণকাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী। স্থানীয়দের দাবি, তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের চাপের কারণে তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মূল ঠিকাদার মোকছেদুল হক জানান, তিনি সাব-ঠিকাদার রাকিবুজ্জামান রাকিবের ওপর কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, যিনি বর্তমানে পলাতক। তবে উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে এবং দ্রুতই সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ঠিকাদারকে এখনো পুরো বিল পরিশোধ করা হয়নি। চলতি মাসের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ না করলে চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কাজের মান নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

সরকারি এত টাকা খরচে নির্মিত সেতুটি কবে নাগাদ চলাচলের উপযোগী হবে—এখন সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।