Touch Bangladesh
ঢাকাসোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

সন্তানকে রেখে কাজে যাত্রা: বিমানে ৩ ঘণ্টা কেন কাঁদলেন পরিণীতি?

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ১:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

সন্তানকে রেখে প্রথমবার কাজের উদ্দেশ্যে যাত্রা: বিমানে তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলেন পরিণীতি চোপড়া

মাতৃত্ব নারীর জীবনে নিয়ে আসে এক আমূল পরিবর্তন। চিন্তাভাবনা, কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা দৈনন্দিন অভ্যাস—সবকিছুতেই পড়ে এর প্রভাব। বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়াও এর ব্যতিক্রম নন। সন্তান জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস ছেলেকে এক মুহূর্তের জন্যও চোখের আড়াল করতে চাননি তিনি। তবে পেশাগত তাগিদে অবশেষে সন্তানকে ঘরে রেখে কাজের উদ্দেশ্যে বের হতে হয়েছিল তাকে।

সেই প্রথম অভিজ্ঞতাটি যে কতটা কষ্টের ছিল, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তা খোলাসা করেছেন এই অভিনেত্রী। পরিণীতি জানান, ছেলেকে বাড়িতে রেখে প্রথমবার যখন তিনি মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন, তখন বিমানে টানা তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলেন।

সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বের স্মৃতিচারণ করে পরিণীতি বলেন, “যাত্রার সূক্ষ্ম বিবরণগুলো আজ আর আমার মনে নেই। কীভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলাম, কীভাবে বিমানে উঠেছিলাম বা মুম্বাইয়ে কীভাবে অবতরণ করেছিলাম—তার কিছুই মনে করতে পারি না। শুধু মনে আছে, পুরো তিন ঘণ্টার যাত্রাপথে একনাগাড়ে কেঁদেছিলাম।”

কাজে বের হওয়ার সময় প্রতিটি নতুন মায়ের মনেই যে অপরাধবোধ বা ‘মম গিল্ট’ তৈরি হয়, পরিণীতিও তার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তবে তার মতে, এই অনুভূতি কেবল সাধারণ অপরাধবোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সেই মুহূর্তে তার মনে হয়েছিল, তিনি বোধহয় আর কখনোই কাজে ফিরতে পারবেন না।

যদিও বাস্তবে তার সন্তানকে নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ ছিল না। শিশুটি পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে নিরাপদেই ছিল এবং মায়ের অনুপস্থিতিতে তার কোনো অসুবিধা হয়নি। এমনকি পরিবারের সদস্যরা পরিণীতিকে নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহও দিয়েছিলেন।

তা সত্ত্বেও ভেতরের এই অপরাধবোধ কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না বলে জানান পরিণীতি। তার মতে, সন্তানকে ঘিরে মায়েদের ওপর সমাজের চাপিয়ে দেওয়া নানা প্রত্যাশাও এই অপরাধবোধকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

পরিণীতি জানান, কাজের প্রয়োজনে বাইরে বের হলে অনেকেই তাকে জিজ্ঞেস করেন—’বাচ্চা কোথায়?’ পরিণীতি যখন জানান সন্তান বাড়িতে আছে, তখনো অনেকের মধ্যে বিস্ময় দেখা যায়। পরিণীতির মতে, একজন মা সন্তানকে ভালোবাসা ও আগলে রাখার পাশাপাশি নিজের পেশাগত জীবনও সমানভাবে চালিয়ে যেতে পারেন—এই স্বাভাবিক বিষয়টি সমাজের আরও সহজভাবে গ্রহণ করা উচিত।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।