Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ৩ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন

প্রতিবেদক
Jetkin Tina Raksam
অক্টোবর ৩, ২০২৬ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট মিলিয়ে প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যার পুরো অংশই সরবরাহ করা হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনের মূল তথ্য

  • ⚡ সর্বোচ্চ রেকর্ড উৎপাদন: দুটি ইউনিট থেকে যৌথভাবে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
  • 🏭 ইউনিটভিত্তিক বিন্যাস: প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট ও দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
  • 🔧 ত্রুটি কাটিয়ে স্বাভাবিকতা: সাময়িক যান্ত্রিক গোলযোগ পেরিয়ে দুটি ইউনিটেই এখন নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রয়েছে।
  • 🤝 যৌথ পরিচালনা: বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে গঠিত বিআইএফপিসিএল (BIFPCL) এটি বাস্তবায়ন করছে।

যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন

বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, আগে বিভিন্ন সময়ে কারিগরি ত্রুটি ও সাময়িক গোলযোগের কারণে উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান করে উভয় ইউনিটকে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় সচল রাখা সম্ভব হয়েছে এবং দুটি ইউনিট থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্কে নির্বিঘ্নে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

ইউনিটভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের রূপরেখা

রামপাল মেগা পাওয়ার প্ল্যান্টের কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে বর্তমানে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়ে গ্রিডে পাঠানো হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডে এই ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ায় খুলনা, বরিশালসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও সামগ্রিক জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগ ও পটভূমি

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে এই মেগা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই যৌথ চুক্তি ও অংশীদারত্বের আওতায় গঠিত হয় ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’ (বিআইএফপিসিএল), যা কেন্দ্রটির সার্বিক নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সারসংক্ষেপ

বিষয় / ক্ষেত্র তথ্য ও পরিসংখ্যান
মোট সর্বোচ্চ উৎপাদন ১,৩২১ মেগাওয়াট (নতুন রেকর্ড)
প্রথম ইউনিটের উৎপাদন ৬৫৬ মেগাওয়াট
দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ৬৬৫ মেগাওয়াট
পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (BIFPCL)
অংশীদারিত্ব চুক্তি ২৯ জানুয়ারি ২০১২ (BPDB ও NTPC-এর মধ্যে)

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।