![]()
সিন্ডিকেটের কাছে কি সত্যিই অসহায় সরকার? দামের আগুনে পুড়তে থাকা সাধারণ মানুষের ৩টি কঠিন প্রশ্ন!
দেশে প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে আকাশচুম্বী হারে। চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে কাঁচাবাজার— সবখানেই আগুন। শুল্ক কমানোর পরও কেন দাম কমছে না, তার কোনো সঠিক উত্তর প্রশাসনের কাছে নেই। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন রুটি-রুজির টানাপোড়েনে পিষ্ট হচ্ছে। এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশবাসীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের নির্ধারকদের কাছে উঠছে কিছু কঠিন এবং অপ্রিয় প্রশ্ন।
- ❓ প্রশ্ন ১: আমদানি শুল্ক ছাড় দেওয়ার পরও তার সুবিধা সাধারণ মানুষের পকেটে কেন পৌঁছায় না? লাভের টাকা যায় কার পকেটে?
- ❓ প্রশ্ন ২: বাজার তদারকির নামে শুধু খুচরা দোকানে জরিমানা কেন? কার ইশারায় বড় বড় রাঘববোয়াল ও করপোরেট সিন্ডিকেটকে ছাড় দেওয়া হয়?
- ❓ প্রশ্ন ৩: সরকারের একাধিক দপ্তর থাকা সত্ত্বেও, কেন একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কাছে পুরো বাজার ব্যবস্থা বন্দি? সরকার কি সত্যিই অসহায়?
শুল্ক ছাড়ের পরও কেন কমে না দাম?
সরকারিভাবে বিভিন্ন সময় পেঁয়াজ, চিনি বা তেলের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্রে তার কোনো প্রভাবই পড়ে না বাজারে। কারণে-অকারণে কৃত্রিম সংকট (Artificial Shortage) তৈরি করে দাম বাড়িয়ে রাখা হয়। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করছে, সরকারের নির্দেশ যদি ব্যবসায়ীরাই না মানে, তবে এই প্রশাসনের কাজ কী?
শুধু খুচরা দোকানে অভিযান, রাঘববোয়ালরা কোথায়?
বাজার নিয়ন্ত্রণে হঠাৎ হঠাৎ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা ম্যাজিস্ট্রেটরা খুচরা বাজারে অভিযান চালায়। কিছু ছোট দোকানকে জরিমানা করেই যেন দপ্তরের কাজ শেষ। কিন্তু যারা কোটি কোটি টাকার সাপ্লাই চেইন নিয়ন্ত্রণ করছে, সেই করপোরেট রাঘববোয়ালদের কেন কোনোদিন সামনে আনা হয় না? এই লুকোচুরি কার স্বার্থে? রাষ্ট্রের কাছে নাগরিকদের এই প্রশ্নগুলো এখন সর্বত্র ঘুরপাক খাচ্ছে। সঠিক উত্তরের অপেক্ষায় আছে TouchBangladesh।
