Touch Bangladesh
ঢাকাশুক্রবার , ৭ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  6. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  7. নতুন কর্মের খোঁজে
  8. নিত্যদিনের জীবন
  9. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  10. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  11. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  12. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  13. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  14. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
  15. সাম্প্রতিক বিশ্ব
আলোচিত সপ্তাহের খবর

থাইল্যান্ডে ১৪ বছরের কিশোরের গুলিতে নিহত অন্তত ৭, আহত ৩০+ | টাচ আন্তর্জাতিক

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
আগস্ট ৭, ২০২৬ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে এক ১৪ বছর বয়সী কিশোরের বন্দুক হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং ২৩ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। ৭ আগস্ট (শুক্রবার) নিজ বাসভবনে দাদা-দাদিকে গুলি করার পর পার্শ্ববর্তী স্কুলে গিয়ে এই নৃশংস হামলা চালায় ওই কিশোর। পরবর্তীতে অভিযুক্ত কিশোর নিজেও গুলিতে নিহত হয়।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল (Anutin Charnvirakul) এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ব্যাংককের কাছে নোন্থাবুরি প্রদেশের ‘দেবসিরিন নোন্থাবুরি স্কুলে’ (Debsirin Nonthaburi School) ক্লাস চলাকালীন সময়ে হামলাটি ঘটে।

  • হামলার শুরু: প্রথমে নিজ বাড়িতে নিজ দাদা-দাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ওই কিশোর। এরপর স্কুলেও তাণ্ডব চালায় সে।

  • অস্ত্র ও গোলাবারুদ: অভিযুক্ত কিশোরের কাছ থেকে তার দাদার মালিকানাধীন একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে অন্তত ২৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে এবং কিশোরের ব্যাগ থেকে আরও ৩৪ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

  • নিহতের তথ্য: স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ও উদ্ধারকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও হামলাকারী কিশোর নিজে রয়েছে।

এক শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে জানায়:

“প্রথমে ভেবেছিলাম পটকা ফুটছে বা কেউ ভারী কিছুতে আঘাত করছে। কিন্তু একের পর এক গুলির আওয়াজ শুনে আমরা বুঝতে পারি বড় কোনো বিপদ ঘটেছে।”

প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের প্রতিক্রিয়া

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন:

“এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এক ঘটনা। আমাদের দেশে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটে গেল তা ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাত্ক্ষণিকভাবে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে কী উদ্দেশ্যে এবং কীভাবে একটি নাবালক শিশু অস্ত্র হাতে পাওয়ার সুযোগ পেল।

জরুরি উদ্ধার অভিযান

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো স্কুল এলাকা ঘিরে ফেলে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একাধিক হতাহতের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।