![]()
দীপু মনির স্বামীর জানাজায় অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা, ছাত্রলীগ নেতা প্রত্যয় কারাগারে
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজের জানাজাকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক আল রাফি প্রত্যয়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঘটনার বিবরণ একনজরে
- ⚖️ মামলা: গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলা।
- 👤 গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি: আল রাফি প্রত্যয় (সন্দিগ্ধ আসামি ও ছাত্রলীগ নেতা)।
- 📍 ঘটনাস্থল: গুলশানের আজাদ মসজিদ–সংলগ্ন এলাকা।
- ⚠️ অভিযোগ: জানাজায় অস্থিরতা সৃষ্টি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান প্রদান।
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার ও আদালতে উপস্থাপন
এদিন আসামি প্রত্যয়কে রাজধানীর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম মফিজুর রহমান তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান থানাধীন আজাদ মসজিদ–সংলগ্ন এলাকায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামীর জানাজাকে কেন্দ্র করে তিনি অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দিলে তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
আগের মামলা ও জামিন শুনানি
আবেদনে আরও বলা হয়, এই ঘটনার পাশাপাশি আসামির বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের বিভিন্ন মিছিল–মিটিংয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুনানিতে প্রত্যয়ের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর তীব্র বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একনজরে: তদন্ত ও বিচারিক তথ্য
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| সংশ্লিষ্ট আদালত | ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট |
| আদালতের রায় | জামিন নামঞ্জুর ও কারাগারে প্রেরণ |
| পূর্ববর্তী অভিযান | ৭ আগস্ট পুলিশ প্লাজায় গোপন বৈঠক থেকে ৬ জন আটক |
| তদন্ত কর্মকর্তা | এসআই কে এম মফিজুর রহমান (গুলশান থানা) |
তদন্তের বর্তমান অবস্থা
এর আগে ৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান–১ এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলের পঞ্চম তলায় ফুড কোর্টে অভিযান চালিয়ে গোপন বৈঠকের অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ছয়জনকে আটক করেছিল পুলিশ। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মফিজুর রহমান জানান, প্রত্যয়ের বিষয়ে বর্তমানে আরও বিশদ তদন্ত চলছে।
