![]()
মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে ১০ হাজারসহ যাচ্ছে ২ লাখ কর্মী: আসছে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ
আগামী মাসের শেষ দিক থেকে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় দুই লাখ কর্মী নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে এই কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যাবেন। তবে এর বাইরে আরও ১০ হাজার কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে। রবিবার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা বিন ওসমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
- ✈️ শ্রমবাজার: ৬ মাসের মধ্যে ২ লাখ কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে; ১০ হাজার যাবে সম্পূর্ণ বিনা খরচে।
- 💰 বিনিয়োগ: ইভি, সৌর প্যানেল ও হালাল ফুড খাতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে মালয়েশিয়া।
- 🛣️ সড়ক উন্নয়ন: রাস্তা টেকসই করতে মালয়েশিয়ার কারিগরি সহায়তায় ‘রাবারাইজড বিটুমিন’ ব্যবহার হবে।
- 🛺 ই-রিকশা নীতি: বুয়েট ও ট্রাফিক বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়া ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না।
মালয়েশিয়ার ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তির সড়ক
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জানান, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি), সৌর প্যানেল, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ এবং হালাল ফুডসহ বিভিন্ন খাতে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খুব শিগগিরই এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।
সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে ‘পলিমার মডিফাইড বিটুমিন’ বা ‘রাবারাইজড বিটুমিন’ প্রযুক্তিতে সহায়তা করবে। মীর শাহে আলম জানান, ২০০৫ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন বগুড়ায় এই প্রযুক্তির পাইলটিং করেছিলেন, সেই রাস্তা এখনও অটুট রয়েছে। তাই বৃষ্টির কারণে রাস্তা নষ্ট হওয়া ঠেকাতে সরকার কমপক্ষে ২০ শতাংশ নতুন রাস্তা বা মেরামতের কাজে এই রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে।
মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার খাতসমূহ
| খাতের নাম | বিস্তারিত পরিকল্পনা |
|---|---|
| জনশক্তি রপ্তানি | তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে ২ লাখ এবং বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী প্রেরণ। |
| বৈদেশিক বিনিয়োগ | ইভি, নবায়নযোগ্য শক্তি ও হালাল খাদ্যে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তুতি। |
| অবকাঠামো উন্নয়ন | সড়ক টেকসই করতে রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহার; মালয়েশিয়া থেকে কারিগরি সহায়তা। |
ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে কঠোর নীতিমালা
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ই-রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে একটি নতুন নীতিমালার কথা উল্লেখ করেন। নীতিমালায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বুয়েট অথবা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেবে না। এছাড়া, মূল সড়কে ই-রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
নীতিমালাটি বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া, ই-রিকশা চার্জিং গ্যারেজগুলোকে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পাশাপাশি সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা থেকে লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
