![]()
প্রযুক্তির দুনিয়ায় নতুন ইতিহাস গড়ল অ্যাপল (Apple)। আইফোনের প্রায় ২০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফোল্ডেবল বা ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’ (iPhone Duo) উন্মোচন করেছে টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ক্যালিফোর্নিয়ার কিউপারটিনোতে অ্যাপল পার্কে আয়োজিত ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ (Surprise and Shine) ইভেন্টে এই যুগান্তকারী ডিভাইসটি সামনে আনেন অ্যাপলের নবনিযুক্ত সিইও জন টার্নাস।
টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এটিই ছিল প্রধান নির্বাহী হিসেবে জন টার্নাসের প্রথম কোনো ইভেন্ট। এই মেগা ইভেন্টে ফোল্ডেবল আইফোনের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি তাক লাগানো ডিভাইসের ঘোষণা দেয় অ্যাপল।
ইভেন্টের মূল আকর্ষণ যা যা ছিল:
নতুন ডিভাইস: আইফোন ডুও ছাড়াও ইভেন্টে আইফোন ১৮ প্রো (iPhone 18 Pro), আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স, এয়ারপডস ৫, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ৪ উন্মোচন করা হয়।
ফোন লিজ নেওয়ার সুযোগ: নতুন এই ডিভাইসগুলোর দাম আগের তুলনায় কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। তবে গ্রাহকদের সুবিধার্থে প্রথমবারের মতো নতুন ফোন লিজ (Lease) নেওয়ার অভিনব এক সুবিধা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি।
এআই ও প্রাইভেসি: ইভেন্টে অ্যাপলের ভবিষ্যৎ ভিশন তুলে ধরেন জন টার্নাস। তিনি জানান, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) ব্যবহারের জন্য আইফোনই এখন সবচেয়ে নিরাপদ এবং সেরা ব্যক্তিগত ডিভাইস, কারণ এতে গ্রাহকের তথ্যের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বা প্রাইভেসি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেমন হলো ফোল্ডেবল ‘আইফোন ডুও’?
লঞ্চিং ইভেন্টে উপস্থিত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকদের মতে, নতুন এই ফোল্ডেবল ফোনটির ভেতরের স্ক্রিনে ম্যাট ফিনিশ (Matte finish) ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে এতে আলোর প্রতিফলন বা গ্লেয়ার একেবারেই কম হয় এবং ফোল্ডিংয়ের জায়গার ভাঁজ বা দাগ (crease) বলতে গেলে চোখেই পড়ে না। এছাড়া, কোনোরকম ল্যাগ বা বাধা ছাড়াই অত্যন্ত মসৃণভাবে এক স্ক্রিন থেকে অন্য স্ক্রিনে অ্যাপ ব্যবহার করা যায় এই স্মার্টফোনটিতে।
নতুন সিইও-র হাত ধরে অ্যাপলের এই নতুন ফোল্ডেবল যাত্রা স্মার্টফোনের বাজারে এক বিশাল পরিবর্তন আনবে বলেই ধারণা করছেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা।
