Touch Bangladesh
ঢাকাশুক্রবার , ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

ওজন কমাতে ও পেশি গঠনে ডিম: আস্ত ডিম নাকি সাদা অংশ!

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুমুখী পুষ্টিকর খাবার ডিম। উন্নত মানের প্রোটিন, প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর এই খাদ্য উপাদানটি দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় শীর্ষ স্থানে থাকে। তবে ওজন কমানো কিংবা পেশি তৈরির ক্ষেত্রে কুসুমসহ পুরো ডিম খাওয়া উচিত নাকি কেবল ডিমের সাদা অংশ—এ নিয়ে অনেক স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মনেই প্রশ্ন রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের কুসুম ও সাদা অংশের পুষ্টিগুণ ও কার্যকারিতায় স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উভয় অংশের নিজস্ব সুবিধা রয়েছে যা ব্যক্তির শারীরিক লক্ষ্য ও পুষ্টি চাহিদার ওপর নির্ভর করে।

আস্ত ডিম ও সাদা অংশের পুষ্টিগত পার্থক্য

একটি আস্ত ডিমকে সম্পূর্ণ পুষ্টির আঁধার বলা চলে। এর কুসুমে থাকে ভিটামিন ডি, বি-ভিটামিন, কোলিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় একাধিক খনিজ পদার্থ।

অন্যদিকে, ডিমের সাদা অংশ মূলত প্রোটিনে ভরপুর। এতে চর্বি ও ক্যালরির পরিমাণ একেবারেই কম। ফলে যারা কঠোরভাবে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ করে পেশি বাড়াতে চান, তাদের কাছে ডিমের সাদা অংশ পছন্দের শীর্ষে থাকে।

উপাদান ২টি আস্ত ডিম ৫টি ডিমের সাদা অংশ
ক্যালরি প্রায় ১৪০ প্রায় ৮৫
প্রোটিন ১২ গ্রাম ১৮ গ্রাম
অন্যান্য পুষ্টি ভিটামিন, খনিজ ও চর্বি চর্বিহীন প্রোটিন

আপনার লক্ষ্যের জন্য কোনটি উপযুক্ত?

  • ওজন কমানোর ক্ষেত্রে: ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ যদি প্রধান উদ্দেশ্য হয়, তবে পাঁচটি ডিমের সাদা অংশ খাওয়া বেশি সুবিধাজনক হতে পারে। এটি কম ক্যালরিতে বেশি প্রোটিন জোগাতে সাহায্য করে, যা দৈনন্দিন ক্যালরির ঘাটতি বজায় রাখার পাশাপাশি পেশির ভর বজায় রাখতে কার্যকরী।

  • পেশি গঠন ও শক্তি বৃদ্ধিতে: ভারী শরীরচর্চা বা ওয়ার্কআউটের পর পেশি পুনর্গঠনে আস্ত ডিম দ্রুত কাজ করে। কুসুমে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি ও খনিজ উপাদান শরীরের সামগ্রিক পুষ্টি নিশ্চিত করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

রক্তে কোলেস্টেরল ও সতর্কতা

অনেকেই ডিমের কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ার আশঙ্কায় থাকেন। তবে আধুনিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে খাবার থেকে নেওয়া কোলেস্টেরল সরাসরি রক্তের কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়—এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়।

তবে যাদের আগে থেকেই উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ডিমের কুসুম খাওয়ার বিষয়ে চিকিৎসক বা অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সঠিক নিয়ম কী হতে পারে?

পুষ্টিবিদদের মতে, শুধু আস্ত ডিম বা শুধু সাদা অংশের যেকোনো একটি বেছে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। খাদ্যাভ্যাসে ভারসাম্য আনতে দুটি অংশ মিলিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, দুটি আস্ত ডিমের বদলে একটি আস্ত ডিম এবং তার সাথে তিনটি বা চারটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নেওয়া যায়। এতে কুসুমের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রোটিনও মিলবে, অথচ ক্যালরির পরিমাণ থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

চূড়ান্ত বিচারে, ডিম কীভাবে খাবেন তা নির্ভর করবে আপনার দৈনন্দিন ক্যালরির চাহিদা, শারীরিক লক্ষ্য ও শারীরিক অবস্থার ওপর।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।