Touch Bangladesh
ঢাকামঙ্গলবার , ৬ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

হাইকোর্টের রায় স্থগিত: বহাল প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ১৮ বছরের শর্ত

প্রতিবেদক
Methon Mankhin
অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটেছে। সরকার নির্ধারিত ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষ ও এনটিআরসিএ-এর আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হকের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিতের এ আদেশ দেন।

আদালতের এ আদেশের ফলে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করার সুযোগ বহাল থাকছে। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া পরবর্তী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

তবে রিট আবেদনকারী ৪৬ জন প্রার্থীর জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সংরক্ষণ করা এসব পদ বাদে বাকি সমস্ত শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া যথারীতি এগিয়ে নিতে সরকারের সামনে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।

পটভূমি ও জটিলতা

চলতি বছরের ২৫ মার্চ সরকার প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য অভিজ্ঞতার সময়সীমা ১৮ বছর নির্ধারণ করে একটি সিদ্ধান্ত জানায়। পরবর্তীতে কয়েকজন প্রার্থী এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে হাইকোর্ট সরকারের সিদ্ধান্তটি বাতিল ঘোষণা করেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করে। চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করায় সরকারের নতুন বিধিই এখন বহাল রইল।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল শূন্য পদ

দেশের মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক ও প্রশাসনিক পদ খালি থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল।

চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী:

  • মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি): প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ১০,২৭৮টি।

  • মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে ৩,১৩১টি শূন্য পদ।

  • কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: অধ্যক্ষ ও সুপার পদে প্রায় ১৫০টি শূন্য পদ।

সব মিলিয়ে সে সময় শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ১৩ হাজার ৫৫৯টি।

আইনজীবীরা বলছেন, আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় গতি পাবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দ্রুত দূর করা সম্ভব হবে।

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।