Touch Bangladesh
ঢাকাশনিবার , ১০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থ-বাণিজ্যের সমাধানের খোঁজে
  2. উন্নয়নের ছোঁয়ায় বিজ্ঞান তথ্য ও প্রযুক্তি
  3. খেলাধুলার আনন্দ
  4. ছবি কথা বলে
  5. টাচ বাংলা মুহুর্ত
  6. টাচ বাংলাদেশ সংবাদ
  7. ধর্মের স্বাধীনতার আওয়াজ
  8. নতুন কর্মের খোঁজে
  9. নিত্যদিনের জীবন
  10. বিশেষ সংবাদ সমূহ
  11. রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পাদকীয়
  12. রাষ্ট্রের কাছে প্রশ্ন
  13. রেমিট্যান্সযোদ্ধার চেতনা
  14. শিক্ষার আলোর প্রস্তাব
  15. শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বিনোদনের ঠিকানা
আলোচিত সপ্তাহের খবর

মাইক্রোসফটসহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

প্রতিবেদক
Louis Daru
অক্টোবর ১০, ২০২৬ ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Loading

আন্তর্জাতিক | প্রযুক্তি

মাইক্রোসফট এবং আরও কয়েকটি শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিকে একটি বহুল ব্যবহৃত ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া থেকে বিরত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। মূলত এইচ-১বি (H-1B) ভিসা কর্মসূচি এবং বিদেশ থেকে আসা কর্মীদের স্থায়ী মার্কিন বাসিন্দা হওয়ার সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ তুলে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে সিলিকন ভ্যালিসহ গোটা মার্কিন প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ও অভিযোগের সারসংক্ষেপ

  • 🚫 নিষেধাজ্ঞার আওতায়: মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, ইনফোসিস, টাটাসহ মোট ৮টি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
  • ⚖️ মূল অভিযোগ: এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার এবং আমেরিকানদের বদলে ‘বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক’ নিয়োগ।
  • 🛑 স্থগিতাদেশ: এসব কোম্পানির নতুন বা বিচারাধীন ‘পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম’ (PERM) অনুমোদন করবে না সরকার।
  • 🗣️ হোয়াইট হাউসের তোপ: এই কোম্পানিগুলো এবং মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ‘ভিসা তৈরির কারখানায়’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য।

এইচ-১বি ভিসা জালিয়াতি ও আমেরিকান কর্মী বঞ্চনা

বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেন। তিনি দাবি করেন যে, আমেরিকার সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানিগুলোর একটি হয়েও মাইক্রোসফট কার্যত আমেরিকান কর্মীদের বদলে “বিদেশি চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক” নিয়োগ করছে। ভ্যান্সের অভিযোগ, “আমেরিকার অন্য কোনো কোম্পানি মাইক্রোসফটের চেয়ে বেশি এই ব্যবস্থার অপব্যবহার করেনি।” এই ভিসা জালিয়াতি ও দেশীয় কর্মীদের বঞ্চনা ঠেকাতেই ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মাইক্রোসফটের আত্মপক্ষ সমর্থন ও অন্যান্য অভিযুক্ত

মার্কিন সরকারের এই কড়া বার্তার পর মাইক্রোসফট নিজেদের পক্ষে সাফাই গেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, গত অর্থবছরে দাখিল করা বেশিরভাগ এইচ-১বি ভিসা ছিল তাদের বিদ্যমান কর্মীদের জন্যই, যাদেরকে স্থানীয় আমেরিকান কর্মীদের সমান বেতনই দেওয়া হয়। তবে হোয়াইট হাউসের এই অভিযোগের তীর শুধু মাইক্রোসফটের দিকেই নয়; জেডি ভ্যান্স অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল এবং ক্যাপজেমিনির বিরুদ্ধেও ঠিক একই ধরনের অভিযোগ এনেছেন।

‘ভিসা তৈরির কারখানা’ ও সরকারের কঠোর পদক্ষেপ

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, মার্কিন সরকার এখন থেকে মাইক্রোসফট বা উল্লিখিত অন্য সাতটি কোম্পানির কোনো নতুন বা বিচারাধীন পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম (PERM) বা পার্ম আবেদন অনুমোদন করবে না। ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্ডারলিং বলেন, মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি এবং মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রীতিমতো “ভিসা তৈরির কারখানায়” পরিণত হয়েছে, যারা আমেরিকাকে বিদেশি কর্মী দিয়ে “ভাসিয়ে” দিচ্ছে।

এক নজরে নিষেধাজ্ঞা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য

বিষয় বিস্তারিত তথ্য
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি, কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা, উইপ্রো, এইচসিএল ও ক্যাপজেমিনি
স্থগিত হওয়া কর্মসূচি এইচ-১বি (H-1B) ভিসা এবং পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন (PERM) আবেদন
অভিযোগকারী কর্তৃপক্ষ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং শ্রমমন্ত্রী কিথ সন্ডারলিং
হোয়াইট হাউসের দাবি প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ভিসা কারখানায়’ পরিণত হয়ে আমেরিকানদের বদলে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে
মাইক্রোসফটের জবাব অধিকাংশ আবেদন স্থানীয়দের সমান বেতনে বিদ্যমান কর্মীদের জন্য করা হয়েছিল

error: লেখাগুলো টাচ বাংলাদেশ - স্পর্শে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।